রবিবার, ২৮ মে ২০২৩, রাত ৮:০০
রবিবার, ২৮ মে ২০২৩,রাত ৮:০০

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ চার দস্যু আটক

ফের পুরনো পেশায় আত্মসমর্পণকৃত বনদস্যুারা

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৫:১২ pm

আবার পুরনো পেশায় ফিরতে শুরু করেছেন আত্মসমর্পণকৃত বনদস্যুরা। মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে পূর্ব সুন্দরবনের শ্যালা নদীসংলগ্ন সূর্যমুখী খাল থেকে সদ্য গঠিত বনদস্যু বাহিনী প্রধানসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন চার বনদস্যু। এদের মধ্যে বাহিনীর প্রধান মো. ফজলু শেখ ২০১৮সালে স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করা বনদস্যু শান্ত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। জেলা পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

বাগেরহাট জেলার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও মোংলা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক বনদস্যুরা হলেন রামপাল উপজেলার আড়ুয়াডাঙ্গা গ্রামের আহাদ আলী শেখের ছেলে বনদস্যু ফজলু বাহিনী প্রধান মো. ফজলু শেখ (৪২), বাহিনী সেকেন্ড ইন কমান্ড শিকিরডাঙ্গা গ্রামের মোতালেব শেখের ছেলে মজনু শেখ (৩০), পেড়িখারী গ্রামের জোনাব আলী মোড়লের ছেলে শাহাদাত মোড়ল (৪০) ও জিগিরমোল্লা গ্রামের নজরুল শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ (৩২)।

আটক দস্যুদের কাছ থেকে একটি ওয়ান স্যুটার গান, একটি একনলা বন্দুক, সাত রাউন্ড গুলি, দুইটি রাম দা, একটি হাতুড়ি, একটি লোহার পাইপ, চারটি টর্চ লাইট ও একটি ডিঙি নৌকাসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আরিফুল হক পিপিএম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সম্প্রতি বনদস্য ফজলু শেখ নিজের নামে বাহিনী (ফজলু বাহিনী) গঠন করে সুন্দরবনে দস্যুতা শুরু করেন। এই বাহিনী বনের পেশাজীবীদের জিম্মি করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের স্বজনদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দস্যুদের অবস্থান সনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাগেরহাট গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সুরেশ চন্দ্র হালদার ও মোংলা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম।প্রেস ব্রিফিংকালে এসপি আরিফুল হক বলেন, বাহিনীর প্রধান মো. ফজলু শেখ ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করা বনদস্যু শান্ত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। ওই সময় আত্মসমর্পণকৃত দস্যুদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার ব্যাপক সহযোগীতা করেছে। ফজলু শেখও সেই সুবিধা গ্রহন করেছেন। এমনকি গতবছরও এই ফজলু বাগেরাহাটে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর হাত থেকেও আর্থিক অনুদান নিয়েছেন।

এসপি আরিফুল হক আরো বলেন, সদ্য গঠিত জফলু বাহিনীতে পাঁচ সদস্য ছিলেন। এর মধ্যে চারজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক সদস্যকে আটকে অভিযান চলছে। এছাড়া, আটক দস্যুদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং এদের গড ফাদারদের চিহ্নিত করে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

 

Related Posts

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ চার দস্যু আটক

ফের পুরনো পেশায় আত্মসমর্পণকৃত বনদস্যুারা

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,

৫:১২ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

আবার পুরনো পেশায় ফিরতে শুরু করেছেন আত্মসমর্পণকৃত বনদস্যুরা। মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে পূর্ব সুন্দরবনের শ্যালা নদীসংলগ্ন সূর্যমুখী খাল থেকে সদ্য গঠিত বনদস্যু বাহিনী প্রধানসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন চার বনদস্যু। এদের মধ্যে বাহিনীর প্রধান মো. ফজলু শেখ ২০১৮সালে স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করা বনদস্যু শান্ত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। জেলা পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

বাগেরহাট জেলার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও মোংলা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক বনদস্যুরা হলেন রামপাল উপজেলার আড়ুয়াডাঙ্গা গ্রামের আহাদ আলী শেখের ছেলে বনদস্যু ফজলু বাহিনী প্রধান মো. ফজলু শেখ (৪২), বাহিনী সেকেন্ড ইন কমান্ড শিকিরডাঙ্গা গ্রামের মোতালেব শেখের ছেলে মজনু শেখ (৩০), পেড়িখারী গ্রামের জোনাব আলী মোড়লের ছেলে শাহাদাত মোড়ল (৪০) ও জিগিরমোল্লা গ্রামের নজরুল শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ (৩২)।

আটক দস্যুদের কাছ থেকে একটি ওয়ান স্যুটার গান, একটি একনলা বন্দুক, সাত রাউন্ড গুলি, দুইটি রাম দা, একটি হাতুড়ি, একটি লোহার পাইপ, চারটি টর্চ লাইট ও একটি ডিঙি নৌকাসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আরিফুল হক পিপিএম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সম্প্রতি বনদস্য ফজলু শেখ নিজের নামে বাহিনী (ফজলু বাহিনী) গঠন করে সুন্দরবনে দস্যুতা শুরু করেন। এই বাহিনী বনের পেশাজীবীদের জিম্মি করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের স্বজনদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দস্যুদের অবস্থান সনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাগেরহাট গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সুরেশ চন্দ্র হালদার ও মোংলা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম।প্রেস ব্রিফিংকালে এসপি আরিফুল হক বলেন, বাহিনীর প্রধান মো. ফজলু শেখ ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করা বনদস্যু শান্ত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। ওই সময় আত্মসমর্পণকৃত দস্যুদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার ব্যাপক সহযোগীতা করেছে। ফজলু শেখও সেই সুবিধা গ্রহন করেছেন। এমনকি গতবছরও এই ফজলু বাগেরাহাটে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর হাত থেকেও আর্থিক অনুদান নিয়েছেন।

এসপি আরিফুল হক আরো বলেন, সদ্য গঠিত জফলু বাহিনীতে পাঁচ সদস্য ছিলেন। এর মধ্যে চারজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক সদস্যকে আটকে অভিযান চলছে। এছাড়া, আটক দস্যুদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং এদের গড ফাদারদের চিহ্নিত করে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

 

Related Posts