সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, রাত ৩:০৩
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪,রাত ৩:০৩

‘সুন্দরবনে দস্যুদের আধিপত্য বিস্তার করতে দেওয়া হবে না’

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

৩০ ডিসেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৫:২৮ pm

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দস্যুমুক্ত সুন্দরবনে আর কোনো দস্যুদের আধিপত্য বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। সম্প্রতি নবগঠিত একটি দস্যুবাহিনী বনজীবিদের জিম্মি করে অপতৎপরতা শুরু করলে তা প্রতিহত করেছে পুলিশ। যে কোনো মূল্যে বন ও জলদস্যুদের নির্মূল করা হবে।

শুক্রবার (৩০ডিসেম্বর) শরণখোলায় তিন (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ-কচুয়া) উপজেলার জেলে, বনজীবি ও আত্মসমর্পণকৃত সাবেক বনদস্যুদের নিয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সভায় জেলা পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক পিপিএম এই আশ্বাস দেন।

রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে শরণখোলা থানা পুলিশ এই সভার আয়োজন করে। সভায় শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, কচুয়াসহ তিন উপজেলার তিন শতাধিক পেশাজীবি, আত্মসমর্পণকৃত কয়েকজন সাবেক বনদস্যু, মৎস্য ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শে্িরণপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার আরিফুল হক তাঁর বক্তৃতায় পেশাজীবিদের উদ্দেশে বলেন, বন ও জলদ্যুদের সম্পর্কে আপনারা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন। তথ্যদাতার নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে। পেশাজীবিরা সহযোগিতা না করলে আবার তারা (দস্যুরা) মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।

পুলিশ সুপার বলেন, নতুন দস্যুদলটি নিরীহ কয়েকজন জেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি এবং তাদের ওপর নির্যাতন শুরু করেছিল। ইতোমধ্যে পুলিশ তাদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। দলের অন্য সদস্যরাও পুলিশের তৎপরতায় বন ছেড়ে পালিয়েছে। তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যেকোনো মুহুর্তে তারাও গ্রেপ্তার হবে। বনজীবিদের নিরাপত্তা, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় বাগেরহাটের আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে তৎপর রয়েছে জেলা পুলিশ।

সভায় উপস্থিত বনজীবিরা সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার পাশাপাশি নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের বিভিন্ন হয়রানি বন্ধের দাবি জানান। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে সুন্দরবনে টহলের জন্য একটি দ্রæতগামী জলযান দেওয়ার ঘোষনা দেন পুলিশ সুপার। পরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দেড় শতাধিক দুস্থ জেলের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

শরণখোলা থানার ওসি মো. ইকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুর-ই আলম সিদ্দিকী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তৃতা করেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মৎস্য ব্যবসায়ী এম সাইফুল ইসলাম খোকন, শরণখোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন, খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসন খান মহিউদ্দিন, ধানমাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

 


Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/charidik/public_html/wp-content/themes/jnews/class/Module/Block/Block_9_View.php on line 13

Related Posts

‘সুন্দরবনে দস্যুদের আধিপত্য বিস্তার করতে দেওয়া হবে না’

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

৩০ ডিসেম্বর, ২০২২,

৫:২৮ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দস্যুমুক্ত সুন্দরবনে আর কোনো দস্যুদের আধিপত্য বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। সম্প্রতি নবগঠিত একটি দস্যুবাহিনী বনজীবিদের জিম্মি করে অপতৎপরতা শুরু করলে তা প্রতিহত করেছে পুলিশ। যে কোনো মূল্যে বন ও জলদস্যুদের নির্মূল করা হবে।

শুক্রবার (৩০ডিসেম্বর) শরণখোলায় তিন (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ-কচুয়া) উপজেলার জেলে, বনজীবি ও আত্মসমর্পণকৃত সাবেক বনদস্যুদের নিয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সভায় জেলা পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক পিপিএম এই আশ্বাস দেন।

রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে শরণখোলা থানা পুলিশ এই সভার আয়োজন করে। সভায় শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, কচুয়াসহ তিন উপজেলার তিন শতাধিক পেশাজীবি, আত্মসমর্পণকৃত কয়েকজন সাবেক বনদস্যু, মৎস্য ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শে্িরণপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার আরিফুল হক তাঁর বক্তৃতায় পেশাজীবিদের উদ্দেশে বলেন, বন ও জলদ্যুদের সম্পর্কে আপনারা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন। তথ্যদাতার নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে। পেশাজীবিরা সহযোগিতা না করলে আবার তারা (দস্যুরা) মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।

পুলিশ সুপার বলেন, নতুন দস্যুদলটি নিরীহ কয়েকজন জেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি এবং তাদের ওপর নির্যাতন শুরু করেছিল। ইতোমধ্যে পুলিশ তাদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। দলের অন্য সদস্যরাও পুলিশের তৎপরতায় বন ছেড়ে পালিয়েছে। তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যেকোনো মুহুর্তে তারাও গ্রেপ্তার হবে। বনজীবিদের নিরাপত্তা, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় বাগেরহাটের আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে তৎপর রয়েছে জেলা পুলিশ।

সভায় উপস্থিত বনজীবিরা সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার পাশাপাশি নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের বিভিন্ন হয়রানি বন্ধের দাবি জানান। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে সুন্দরবনে টহলের জন্য একটি দ্রæতগামী জলযান দেওয়ার ঘোষনা দেন পুলিশ সুপার। পরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দেড় শতাধিক দুস্থ জেলের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

শরণখোলা থানার ওসি মো. ইকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুর-ই আলম সিদ্দিকী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তৃতা করেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মৎস্য ব্যবসায়ী এম সাইফুল ইসলাম খোকন, শরণখোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন, খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসন খান মহিউদ্দিন, ধানমাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

 


Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/charidik/public_html/wp-content/themes/jnews/class/Module/Block/Block_9_View.php on line 13

Related Posts