সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, রাত ৩:২৪
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪,রাত ৩:২৪

ডাচ প্রত্যাবর্তন রুখে সেমিতে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক

১০ ডিসেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৪:৪১ পূর্বাহ্ণ

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে সমতায় শেষ হয় আর্জেন্টিনার নির্ধারিত ৯০ মিনিট। এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে দুই দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও কেউই পায়নি গোলের দেখা। এতেই ম্যাচের ফলাফলের জন্য গড়ায় টাইব্রেকারে। আর টাইব্রেকারে ডাচেদের প্রত্যাবর্তন রুখে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে আর্জেন্টিনা। টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিতে যায় আলবেসিলেস্তেরা।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ২-২ গোলে সমতায় শেষ হওয়ার পর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এরপর অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত আর্জেন্টিনার রক্ষণে আটকে যায় ডাচ প্রত্যাবর্তন। অতিরিক্ত সময়ে একের পর এক আক্রমণ করে যায় আর্জেন্টিনা। তবে কিছুতে ভাঙতে পারছিল না ডাচ রক্ষণ। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে এসে দুর্দান্ত এক শট নেন এনজো ফার্নান্দেজ। তার শট ডাচ রক্ষণ পরাস্ত করলেও গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। আর তাতেই ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে প্রথমে শট নিতে আসেন নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক। তার শট লাফিয়ে রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। পরের শটে লিওনেল মেসি নোপার্টকে ভুল দিকে পাঠিয়ে বল জালে জড়ান। ডাচদের দ্বিতীয় শট নিতে আসেন বার্ঘুইস। তার শটও রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এরপর আর্জেন্টিনার হয়ে দ্বিতীয় শটেও বল জালে জড়ান লেওনার্দো পারদেস। নিজেদের তৃতীয় শটে এসে জালের দেখা পান কুপমেইনার্স। এরপর একে একে উইঘোর্স্ট আর লুক ডি ইয়ং গোল করলেও আর্জেন্টিনার হয়ে একটি মিস করেন এনজো ফার্নান্দেজ। আর অপর দুই শটে গঞ্জালো মন্তিয়েল আর শেষ শট নিয়ে এসে লটারো মার্টিনেজ গোল করলে আর্জেন্টিনা ৪-৩ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে।

স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোল করলেন আর তার আগে সতীর্থ নাহুয়েল মলিনাকে দিয়ে করালেন আরও একটি গোল। আর তাতেই নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিট প্রায় কেটেই ফেলেছিল আলবেসিলেস্তেরা। লুইসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে মলিনার গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা আর ৭৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন লিওনেল মেসি। শেষ দিকে এসে ওউট উইঘোর্স্ট এক গোল করলে কেবল ব্যবধান কমিয়েছে বলেই মনে হচ্ছিল। তবে তখনও ম্যাচের নাটকের অনেক বাকি। খেলার যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের ১০ম মিনিটে উইঘোর্স্ট আবারও গোল করে সমতায় ফেরান ডাচদের। এতেই ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলের সমতায়। আর তাতেই খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শুরু থেকেই দুর্দান্ত আর্জেন্টিনা। বল দখলে রেখে দারুণ আক্রমণ করতে থাকা আর্জেন্টিনা ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে লিওনেল মেসির জাদুকরি এক পাস থেকে দারুণ এক গোল করেন নাহুয়েল মোলিনা। আর তাতেই প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে আর্জেন্টিনা। মধ্যমাঠ থেকে বল নিয়ে আক্রমণে ওঠেন লিওনেল মেসি। এরপর নেদারল্যান্ডসের ডি বক্স লাইনের ভেতরে তিন ডিফেন্ডারকে টেনে এনে ফাঁকা জায়গা খুঁজে দারুণ এক পাস দেন মেসি। আর ফাঁকায় বল পেয়ে ডান দিক থেকে আক্রমণে ওঠা নাহুয়েল মোলিনা দারুণ শটে বল জালে জড়ান।

ম্যাচের শুরু থেকেই নেদারল্যান্ডসের আক্রমণে জবাব রক্ষণ দিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। আর সুযোগ বুঝে মেসিকে ঘিরে দারুণ আক্রমণ সাজায় আলবেসিলেস্তেরা। তবে আর্জেন্টিনার আক্রমণ বেশ ভালোভাবেই আটকে দিচ্ছিল ডাচ রক্ষণভাগ।

ম্যাচের ৯ মিনিটের মাথায় বাঁ দিক থেকে দারুণ এক আক্রমণ করে নেদারল্যান্ডস। তবে আটকে যায় আর্জেন্টিনার রক্ষণে। এরপরের মিনিতেই আকুনার বাড়ানো বল ধরে শট নেন ডি পল তবে তার দুর্বল শট সহজেই রুখে দেন ডাচ গোলরক্ষক।

সময়ের সঙ্গে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করে দুই দলই। ১৬তম মিনিটে দারুণ এক ক্রস ডি বক্সে এলেও কোনো ডাচ খেলোয়াড় সেই বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। দুই মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হয় স্টিভেন বার্গউইন। ম্যাচের ২১ মিনিটে কর্নার আদায় করে নেদারল্যান্ড। তবে তা কাজে লাগাতে পারেনি তারা।

এরপর লিওনেল মেসি দূরপাল্লার জোরালো শট নিলেও তা গোলপোস্টের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৪ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ পায় নেদারল্যান্ড। ডি বক্সের ভেতর থেকে ডিপাইয়ের নেওয়া শট চলে যায় পোস্টের বাইর দিয়ে।

৩৫তম মিনিটে এসে মেসির জাদুকরি পাস থেকে গোল করে আলবেসিলেস্তেদের এগিয়ে নেন মোলিনা। কিছুক্ষণ পর ডি বক্সের ভেতর থেকেই লিওনেল মেসির নেওয়া শট রুখে দেন ডাচ গোলরক্ষক অ্যান্দ্রে নোপার্ট। এরপর ডাচরা কয়েকটা আক্রমণ করলেও পায়নি গোলের দেখা। এতেই ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে লিওনেল মেসিরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই আক্রমণে যায় ডাচরা। দারুণ এক আক্রমণে কর্নারও পায়। তবে তা কাজে লাগাতে পারেনি। তবে নিজেদের কিছুটা গুছিয়ে নিয়ে আক্রমণ সাজাতে শুরু করে আলবেসিলেস্তেরা। তবে এরপর খেলা কিছুটা ধীর করে দেয় আর্জেন্টিনা। আর সুযোগের অপেক্ষা করতে থাকে। ম্যাচের ৬১ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। সেই ফ্রি কিক থেকে মেসির নেওয়া শট অল্পের জন্য চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

এরপর বল দখলে না রাখলেও প্রতি আক্রমণে ডাচদের রক্ষণ কাঁপাতে শুরু করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে আকুনাকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। আর স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোলে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে এগিয়ে নেন লিওনেল মেসি।

তবে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত খেলতে শুরু করে ডাচরা। একের পর এক আক্রমণ তাদের নষ্ট হতে থাকে। খেলার তখন আর ১০ মিনিট বাকি। নাটকের তখনই শেষ নয়। ৮৩তম মিনিটে গোলের দেখা পায় নেদারল্যান্ড। ডান দিক থেকে বাড়ানো বলে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান উইঘোর্স্ট। মিনিট দুই পরে দারুণ এক শট নেন উইঘোর্স্ট তবে তা রুখে দেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার। এরপর ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ফ্রি কিক পায় নেদারল্যান্ডস। তবে কাজে লাগতে পারেনি তারা। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিক পায় নেদারল্যান্ড।

খেলার তখন নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ। অতিরিক্ত সময় হিসেবে যোগ হয় ১০ মিনিট। আর অতিরিক্ত সময়ের ১০ম মিনিটে ফ্রিকিক থেকে ডি বক্সের ভেতর বল পেয়ে দারুণ শটে লক্ষ্যভেদ করেন উইঘোর্স্ট। আর তাতে ২-২ গোলে সমতায় ফেরে নেদারল্যান্ডস। আর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।


Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/charidik/public_html/wp-content/themes/jnews/class/Module/Block/Block_9_View.php on line 13

Related Posts

ডাচ প্রত্যাবর্তন রুখে সেমিতে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক

১০ ডিসেম্বর, ২০২২,

৪:৪১ পূর্বাহ্ণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে সমতায় শেষ হয় আর্জেন্টিনার নির্ধারিত ৯০ মিনিট। এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে দুই দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও কেউই পায়নি গোলের দেখা। এতেই ম্যাচের ফলাফলের জন্য গড়ায় টাইব্রেকারে। আর টাইব্রেকারে ডাচেদের প্রত্যাবর্তন রুখে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে আর্জেন্টিনা। টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিতে যায় আলবেসিলেস্তেরা।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ২-২ গোলে সমতায় শেষ হওয়ার পর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এরপর অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত আর্জেন্টিনার রক্ষণে আটকে যায় ডাচ প্রত্যাবর্তন। অতিরিক্ত সময়ে একের পর এক আক্রমণ করে যায় আর্জেন্টিনা। তবে কিছুতে ভাঙতে পারছিল না ডাচ রক্ষণ। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে এসে দুর্দান্ত এক শট নেন এনজো ফার্নান্দেজ। তার শট ডাচ রক্ষণ পরাস্ত করলেও গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। আর তাতেই ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে প্রথমে শট নিতে আসেন নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক। তার শট লাফিয়ে রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। পরের শটে লিওনেল মেসি নোপার্টকে ভুল দিকে পাঠিয়ে বল জালে জড়ান। ডাচদের দ্বিতীয় শট নিতে আসেন বার্ঘুইস। তার শটও রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এরপর আর্জেন্টিনার হয়ে দ্বিতীয় শটেও বল জালে জড়ান লেওনার্দো পারদেস। নিজেদের তৃতীয় শটে এসে জালের দেখা পান কুপমেইনার্স। এরপর একে একে উইঘোর্স্ট আর লুক ডি ইয়ং গোল করলেও আর্জেন্টিনার হয়ে একটি মিস করেন এনজো ফার্নান্দেজ। আর অপর দুই শটে গঞ্জালো মন্তিয়েল আর শেষ শট নিয়ে এসে লটারো মার্টিনেজ গোল করলে আর্জেন্টিনা ৪-৩ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে।

স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোল করলেন আর তার আগে সতীর্থ নাহুয়েল মলিনাকে দিয়ে করালেন আরও একটি গোল। আর তাতেই নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিট প্রায় কেটেই ফেলেছিল আলবেসিলেস্তেরা। লুইসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে মলিনার গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা আর ৭৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন লিওনেল মেসি। শেষ দিকে এসে ওউট উইঘোর্স্ট এক গোল করলে কেবল ব্যবধান কমিয়েছে বলেই মনে হচ্ছিল। তবে তখনও ম্যাচের নাটকের অনেক বাকি। খেলার যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের ১০ম মিনিটে উইঘোর্স্ট আবারও গোল করে সমতায় ফেরান ডাচদের। এতেই ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলের সমতায়। আর তাতেই খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শুরু থেকেই দুর্দান্ত আর্জেন্টিনা। বল দখলে রেখে দারুণ আক্রমণ করতে থাকা আর্জেন্টিনা ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে লিওনেল মেসির জাদুকরি এক পাস থেকে দারুণ এক গোল করেন নাহুয়েল মোলিনা। আর তাতেই প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে আর্জেন্টিনা। মধ্যমাঠ থেকে বল নিয়ে আক্রমণে ওঠেন লিওনেল মেসি। এরপর নেদারল্যান্ডসের ডি বক্স লাইনের ভেতরে তিন ডিফেন্ডারকে টেনে এনে ফাঁকা জায়গা খুঁজে দারুণ এক পাস দেন মেসি। আর ফাঁকায় বল পেয়ে ডান দিক থেকে আক্রমণে ওঠা নাহুয়েল মোলিনা দারুণ শটে বল জালে জড়ান।

ম্যাচের শুরু থেকেই নেদারল্যান্ডসের আক্রমণে জবাব রক্ষণ দিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। আর সুযোগ বুঝে মেসিকে ঘিরে দারুণ আক্রমণ সাজায় আলবেসিলেস্তেরা। তবে আর্জেন্টিনার আক্রমণ বেশ ভালোভাবেই আটকে দিচ্ছিল ডাচ রক্ষণভাগ।

ম্যাচের ৯ মিনিটের মাথায় বাঁ দিক থেকে দারুণ এক আক্রমণ করে নেদারল্যান্ডস। তবে আটকে যায় আর্জেন্টিনার রক্ষণে। এরপরের মিনিতেই আকুনার বাড়ানো বল ধরে শট নেন ডি পল তবে তার দুর্বল শট সহজেই রুখে দেন ডাচ গোলরক্ষক।

সময়ের সঙ্গে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করে দুই দলই। ১৬তম মিনিটে দারুণ এক ক্রস ডি বক্সে এলেও কোনো ডাচ খেলোয়াড় সেই বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। দুই মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হয় স্টিভেন বার্গউইন। ম্যাচের ২১ মিনিটে কর্নার আদায় করে নেদারল্যান্ড। তবে তা কাজে লাগাতে পারেনি তারা।

এরপর লিওনেল মেসি দূরপাল্লার জোরালো শট নিলেও তা গোলপোস্টের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৪ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ পায় নেদারল্যান্ড। ডি বক্সের ভেতর থেকে ডিপাইয়ের নেওয়া শট চলে যায় পোস্টের বাইর দিয়ে।

৩৫তম মিনিটে এসে মেসির জাদুকরি পাস থেকে গোল করে আলবেসিলেস্তেদের এগিয়ে নেন মোলিনা। কিছুক্ষণ পর ডি বক্সের ভেতর থেকেই লিওনেল মেসির নেওয়া শট রুখে দেন ডাচ গোলরক্ষক অ্যান্দ্রে নোপার্ট। এরপর ডাচরা কয়েকটা আক্রমণ করলেও পায়নি গোলের দেখা। এতেই ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে লিওনেল মেসিরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই আক্রমণে যায় ডাচরা। দারুণ এক আক্রমণে কর্নারও পায়। তবে তা কাজে লাগাতে পারেনি। তবে নিজেদের কিছুটা গুছিয়ে নিয়ে আক্রমণ সাজাতে শুরু করে আলবেসিলেস্তেরা। তবে এরপর খেলা কিছুটা ধীর করে দেয় আর্জেন্টিনা। আর সুযোগের অপেক্ষা করতে থাকে। ম্যাচের ৬১ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। সেই ফ্রি কিক থেকে মেসির নেওয়া শট অল্পের জন্য চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

এরপর বল দখলে না রাখলেও প্রতি আক্রমণে ডাচদের রক্ষণ কাঁপাতে শুরু করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে আকুনাকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। আর স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোলে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে এগিয়ে নেন লিওনেল মেসি।

তবে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত খেলতে শুরু করে ডাচরা। একের পর এক আক্রমণ তাদের নষ্ট হতে থাকে। খেলার তখন আর ১০ মিনিট বাকি। নাটকের তখনই শেষ নয়। ৮৩তম মিনিটে গোলের দেখা পায় নেদারল্যান্ড। ডান দিক থেকে বাড়ানো বলে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান উইঘোর্স্ট। মিনিট দুই পরে দারুণ এক শট নেন উইঘোর্স্ট তবে তা রুখে দেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার। এরপর ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ফ্রি কিক পায় নেদারল্যান্ডস। তবে কাজে লাগতে পারেনি তারা। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিক পায় নেদারল্যান্ড।

খেলার তখন নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ। অতিরিক্ত সময় হিসেবে যোগ হয় ১০ মিনিট। আর অতিরিক্ত সময়ের ১০ম মিনিটে ফ্রিকিক থেকে ডি বক্সের ভেতর বল পেয়ে দারুণ শটে লক্ষ্যভেদ করেন উইঘোর্স্ট। আর তাতে ২-২ গোলে সমতায় ফেরে নেদারল্যান্ডস। আর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।


Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/charidik/public_html/wp-content/themes/jnews/class/Module/Block/Block_9_View.php on line 13

Related Posts