শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, সকাল ৬:৩৬
শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩,সকাল ৬:৩৬

প্রতারণা মামলায় বাদীর কারাদণ্ড!

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী (বরগুনা)

৫ ডিসেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৫:১৮ pm

বরগুনার আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমির মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও প্রত্যারণা করে টাকা নিয়ে জমি বিক্রি ও দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে বলে বাদী আব্দুর রশিদ একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ওই আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বাদীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৪২নং বড় নিশানবাড়িয়া মৌজার, এসএ ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬নং খতিয়ানে ৩০টি দাগ উল্লেখপূর্বক জমির মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও প্রত্যারণা করে টাকা নিয়ে উপজেলার ছোট আমখোলা গ্রামের বাসিন্দা ক্বারী আব্দুর রাজ্জাক, সিদ্দিকুর রহমান ও আব্দুল হক সাব কবলা মূলে একই এলাকার আব্দুর রশিদের কাছে জমি বিক্রি ও দলিল রেজিস্ট্রি করেছেন। এমন অভিযোগ এনে আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে ২০২০ সালে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের আইনজীবী অ্যাড. বাকের খানের মাধ্যমে সি.আর ৪৮৫নং ও ৪২০ ধারায় উল্লেখিত ওই তিন জনকে আসামি করে একটি প্রত্যারণা মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলায় বাদীর উল্লেখিত বিষয়টি আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আজ সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বাদী আব্দুর রশিদকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে বরগুনাা জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আরিফুর রহমান।

আসামি পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট হরিহর চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে করা মামলার বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বাদীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। আদালতের এমন রায়ে আমরা খুশি।’

Related Posts

প্রতারণা মামলায় বাদীর কারাদণ্ড!

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী (বরগুনা)

৫ ডিসেম্বর, ২০২২,

৫:১৮ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

বরগুনার আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমির মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও প্রত্যারণা করে টাকা নিয়ে জমি বিক্রি ও দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে বলে বাদী আব্দুর রশিদ একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ওই আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বাদীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৪২নং বড় নিশানবাড়িয়া মৌজার, এসএ ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬নং খতিয়ানে ৩০টি দাগ উল্লেখপূর্বক জমির মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও প্রত্যারণা করে টাকা নিয়ে উপজেলার ছোট আমখোলা গ্রামের বাসিন্দা ক্বারী আব্দুর রাজ্জাক, সিদ্দিকুর রহমান ও আব্দুল হক সাব কবলা মূলে একই এলাকার আব্দুর রশিদের কাছে জমি বিক্রি ও দলিল রেজিস্ট্রি করেছেন। এমন অভিযোগ এনে আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে ২০২০ সালে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের আইনজীবী অ্যাড. বাকের খানের মাধ্যমে সি.আর ৪৮৫নং ও ৪২০ ধারায় উল্লেখিত ওই তিন জনকে আসামি করে একটি প্রত্যারণা মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলায় বাদীর উল্লেখিত বিষয়টি আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আজ সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বাদী আব্দুর রশিদকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে বরগুনাা জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আরিফুর রহমান।

আসামি পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট হরিহর চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে করা মামলার বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বাদীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। আদালতের এমন রায়ে আমরা খুশি।’

Related Posts