শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, সকাল ৭:২৬
শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩,সকাল ৭:২৬

সড়কে টায়ারে আগুন-বিস্ফোরণ, ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘জানিনা কোন ঘটনা ঘটলেই বিএনপির লোকজন কেন আসামি হয়।’

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

২ ডিসেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৬:৩৩ pm

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও টাওয়ারে আগুন জ্বালিয়ে আতংক সৃষ্টি করে নাশকতার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে ৩১ জনের নামে মামলা করেছেন। মামলার ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) ফরিদপুর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক কাজী আবুল বাশার বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ৩১ জন ছাড়াও অজ্ঞাত আরো ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নম্বর-২।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বোয়ালমারী পৌর বিএনপির সহসভাপতি আতাউর রহমান খান (৫২), উপজেলা বিএনপির সদস্য ফরিদুল ইসলাম (৪৫), পৌর ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রফিক বিশ্বাস (৫০), দাদপুর ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক বকুল (৫৫), ফরিদপুর জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সিরাজ মৃধা (৫৪), শেখর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) বরকত মোল্যা (৫০), আবু নাসির মোল্যা (৫২), মুরাদ শেখ (৩৫)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় ফরিদপুর-১ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের ইটভাটার সামনে মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর দুর্বৃত্তরা টায়ারে আগুন জ্বালায় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সড়কের ওপর গাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা চালিয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নাশকতা চেষ্টাকারী বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিপক্ষে পাল্টা ১২ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছুড়লে তারা পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ চারটি ককটেল বোমা উদ্ধার করে। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছে টায়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। সড়কে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও স্থানীয়দের মধ্যে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিএনপির আট নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পুলিশ বাদি হয়ে ককটেল ও টায়ার জ্বালানোর ঘটনায় এলাকায় নাশকতা করে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপরাধে মামলা করেন। মামলার আসামিদের শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম চারিদিককে জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত হতে পারে। বিএনপি নাশকতা করে না।

মামলার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমাকেও এ মামলার আসামি করা হয়েছে। এটা একটা গায়েবী মামলা। জানিনা কোন ঘটনা ঘটলেই বিএনপির লোকজন কেন আসামি হয়! এ উপজেলায় বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে।’

শুক্রবার দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক আক্কাচ আলী জানান, বোমা বিস্ফোরণ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে নাশকতা করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার ও এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Related Posts

সড়কে টায়ারে আগুন-বিস্ফোরণ, ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘জানিনা কোন ঘটনা ঘটলেই বিএনপির লোকজন কেন আসামি হয়।’

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

২ ডিসেম্বর, ২০২২,

৬:৩৩ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও টাওয়ারে আগুন জ্বালিয়ে আতংক সৃষ্টি করে নাশকতার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে ৩১ জনের নামে মামলা করেছেন। মামলার ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) ফরিদপুর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক কাজী আবুল বাশার বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ৩১ জন ছাড়াও অজ্ঞাত আরো ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নম্বর-২।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বোয়ালমারী পৌর বিএনপির সহসভাপতি আতাউর রহমান খান (৫২), উপজেলা বিএনপির সদস্য ফরিদুল ইসলাম (৪৫), পৌর ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রফিক বিশ্বাস (৫০), দাদপুর ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক বকুল (৫৫), ফরিদপুর জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সিরাজ মৃধা (৫৪), শেখর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) বরকত মোল্যা (৫০), আবু নাসির মোল্যা (৫২), মুরাদ শেখ (৩৫)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় ফরিদপুর-১ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের ইটভাটার সামনে মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর দুর্বৃত্তরা টায়ারে আগুন জ্বালায় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সড়কের ওপর গাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা চালিয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নাশকতা চেষ্টাকারী বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিপক্ষে পাল্টা ১২ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছুড়লে তারা পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ চারটি ককটেল বোমা উদ্ধার করে। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছে টায়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। সড়কে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও স্থানীয়দের মধ্যে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিএনপির আট নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পুলিশ বাদি হয়ে ককটেল ও টায়ার জ্বালানোর ঘটনায় এলাকায় নাশকতা করে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপরাধে মামলা করেন। মামলার আসামিদের শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম চারিদিককে জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত হতে পারে। বিএনপি নাশকতা করে না।

মামলার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমাকেও এ মামলার আসামি করা হয়েছে। এটা একটা গায়েবী মামলা। জানিনা কোন ঘটনা ঘটলেই বিএনপির লোকজন কেন আসামি হয়! এ উপজেলায় বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে।’

শুক্রবার দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক আক্কাচ আলী জানান, বোমা বিস্ফোরণ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে নাশকতা করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার ও এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Related Posts