মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, বিকাল ৫:৪৪
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২,বিকাল ৫:৪৪

জাল তুলতেই মিললো ৪০টি পাঙ্গাশ, লাখ টাকায় বিক্রি

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

১৪ নভেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

১০:৫৪ pm

বাগেরহাটের শরণখোলার বলেশ্বর নদে নগেন্দ্রনাথ নামে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ৪০টি পাঙ্গাশ মাছ। ৪ কেজি থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত একেকটির ওজন। যা সবমিলিয়ে হয়েছে ১৬০ কেজি। দরিদ্র জেলে সেই মাছগুলো বিক্রি করেছেন এক লাখ টাকায়। একসঙ্গে এতোগুলো মাছ পেয়ে মহাখুশি জেলে নগেন্দ্রনাথ।

রোববার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জালে ধরা পড়ে পাঙ্গাশগুলো। পরে শরণখোলা উপজেলার রাজৈর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসলে নিলাম ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয় মাছগুলো। সর্বোচ্চ দরদাতা রায়েন্দা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন ও মনির হোসেন মাছগুলো কিনে নেন। রাতের মধ্যেই সমস্ত পাঙ্গাশ খুচরা ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়ে যায়।

জেলে নগেন্দ্রনাথ জানান, তার বাড়ি পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী এলাকায়। তিনি পূর্ব সুন্দরবনের বগী স্টেশন থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে বলেশ্বর নদে জাল ফেলে নিয়মিত মাছ ধরেন। প্রতিদিনের মতো ওইদিন রোববার সকালে জাল ফেলে অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যায় জালতুলতেই অবাক বনে যান তিনি। জাল টানতেই একে একে উঠে আসে ৪০টি পাঙ্গাশ। তিনি ১৫-১৬ বছর ধরছেন। কিন্তু একসাথে এতো আর কোনোদিন পাননি বলে জানান জেলে নগেন্দ্রনাথ।

নিলাম ক্রেতা বেল্লাল ও মনির জানান, তারা নিলামের মাধ্যমে ৬২৫ টাকা কেজি দরে পাঙ্গাশগুলো কেনেন। রাতে বাজারে ওঠানোর পর দুই ঘন্টার মধ্যেই সবগুলো বিক্রি হয়ে যায়। তারা ৮০০ টাকা দের খুচরা বিক্রি করেছেন। নদীর পাঙ্গাশ সবসময় পাওয়া যায় না। তাই এই পাঙ্গাশের চাহিদা ক্রেতাদের কাছে সবসময় বেশি থাকে।

বলেশ্বর নদে একসঙ্গে এতো পাঙ্গাশ ধরা পড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে শরণখোলা উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, সরকার মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বছরে প্রায় প্রায় তিন মাস মাছ ধরায় নিষধাজ্ঞা থাকায় মাছের নিরাপদ প্রজননের পাশাপশি বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পাঙ্গশসহ সব ধরনের মাছও বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে পাঙ্গাশগুলো নদ-নদীতে উঠে আসার ফলে জেলের জালে ধরা পড়ছে।

Related Posts

জাল তুলতেই মিললো ৪০টি পাঙ্গাশ, লাখ টাকায় বিক্রি

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

১৪ নভেম্বর, ২০২২,

১০:৫৪ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

বাগেরহাটের শরণখোলার বলেশ্বর নদে নগেন্দ্রনাথ নামে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ৪০টি পাঙ্গাশ মাছ। ৪ কেজি থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত একেকটির ওজন। যা সবমিলিয়ে হয়েছে ১৬০ কেজি। দরিদ্র জেলে সেই মাছগুলো বিক্রি করেছেন এক লাখ টাকায়। একসঙ্গে এতোগুলো মাছ পেয়ে মহাখুশি জেলে নগেন্দ্রনাথ।

রোববার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জালে ধরা পড়ে পাঙ্গাশগুলো। পরে শরণখোলা উপজেলার রাজৈর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসলে নিলাম ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয় মাছগুলো। সর্বোচ্চ দরদাতা রায়েন্দা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন ও মনির হোসেন মাছগুলো কিনে নেন। রাতের মধ্যেই সমস্ত পাঙ্গাশ খুচরা ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়ে যায়।

জেলে নগেন্দ্রনাথ জানান, তার বাড়ি পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী এলাকায়। তিনি পূর্ব সুন্দরবনের বগী স্টেশন থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে বলেশ্বর নদে জাল ফেলে নিয়মিত মাছ ধরেন। প্রতিদিনের মতো ওইদিন রোববার সকালে জাল ফেলে অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যায় জালতুলতেই অবাক বনে যান তিনি। জাল টানতেই একে একে উঠে আসে ৪০টি পাঙ্গাশ। তিনি ১৫-১৬ বছর ধরছেন। কিন্তু একসাথে এতো আর কোনোদিন পাননি বলে জানান জেলে নগেন্দ্রনাথ।

নিলাম ক্রেতা বেল্লাল ও মনির জানান, তারা নিলামের মাধ্যমে ৬২৫ টাকা কেজি দরে পাঙ্গাশগুলো কেনেন। রাতে বাজারে ওঠানোর পর দুই ঘন্টার মধ্যেই সবগুলো বিক্রি হয়ে যায়। তারা ৮০০ টাকা দের খুচরা বিক্রি করেছেন। নদীর পাঙ্গাশ সবসময় পাওয়া যায় না। তাই এই পাঙ্গাশের চাহিদা ক্রেতাদের কাছে সবসময় বেশি থাকে।

বলেশ্বর নদে একসঙ্গে এতো পাঙ্গাশ ধরা পড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে শরণখোলা উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, সরকার মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বছরে প্রায় প্রায় তিন মাস মাছ ধরায় নিষধাজ্ঞা থাকায় মাছের নিরাপদ প্রজননের পাশাপশি বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পাঙ্গশসহ সব ধরনের মাছও বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে পাঙ্গাশগুলো নদ-নদীতে উঠে আসার ফলে জেলের জালে ধরা পড়ছে।

Related Posts