শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬:২৪
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৬:২৪

চার বছর পর সচল এক্স-রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি 

৮ নভেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৭:৩৯ pm

চার বছর পর আবার সচল হলো যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফির কাজ। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এ সেবার উদ্বোধন করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী সদস্য কবির হোসেন, পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস, আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) অনুপ বসুসহ স্বাস্থ্য কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালের একমাত্র আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রটি বিকল থাকায় ও এক্স-রে যন্ত্রের টেকনিশিয়ান (যন্ত্রবিৎ) না থাকায় রোগিরা বহুদিন এ সেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এখন থেকে সপ্তাহে বন্ধের দিন বাদে নিয়মিত সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রোগিরা এ সেবা পাবেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস বলেন, গেল মাসে স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। তিনি এসে আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্র বিকলের বিষয়টি জানতে পেরে একটি ডিজিটাল যন্ত্রের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এছাড়া বাইরে থেকে একজন টেকনিশিয়ান এনে এক্স-রে চালু করা হয়েছে।

ডা. তন্ময় বলেন, মঙ্গলবার হাসপাতালে স্বাস্থ্য কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আল্ট্রাসনোগ্রাফির জন্য ৩০০ টাকা ও এক্স-রের জন্য ১০০-১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দরিদ্র রোগিদের বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রাখব।

Related Posts

চার বছর পর সচল এক্স-রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি 

৮ নভেম্বর, ২০২২,

৭:৩৯ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

চার বছর পর আবার সচল হলো যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফির কাজ। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এ সেবার উদ্বোধন করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী সদস্য কবির হোসেন, পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস, আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) অনুপ বসুসহ স্বাস্থ্য কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালের একমাত্র আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রটি বিকল থাকায় ও এক্স-রে যন্ত্রের টেকনিশিয়ান (যন্ত্রবিৎ) না থাকায় রোগিরা বহুদিন এ সেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এখন থেকে সপ্তাহে বন্ধের দিন বাদে নিয়মিত সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রোগিরা এ সেবা পাবেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস বলেন, গেল মাসে স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। তিনি এসে আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্র বিকলের বিষয়টি জানতে পেরে একটি ডিজিটাল যন্ত্রের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এছাড়া বাইরে থেকে একজন টেকনিশিয়ান এনে এক্স-রে চালু করা হয়েছে।

ডা. তন্ময় বলেন, মঙ্গলবার হাসপাতালে স্বাস্থ্য কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আল্ট্রাসনোগ্রাফির জন্য ৩০০ টাকা ও এক্স-রের জন্য ১০০-১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দরিদ্র রোগিদের বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রাখব।

Related Posts