শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৭:১৮
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৭:১৮

মাদরাসাছাত্রের বিষপানে মৃত্যু

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

১৭ অক্টোবর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৫:১৬ pm

বাগেরহাটের শরণখোলায় বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে রাহাত (১৪) নামে এক মাদরাসা ছাত্র। সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে ঘরে থাকা ধানের পোকা দমনের কীটনাশক পান করে সে। প্রথমে তাকে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তার অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রম্নত বাগেরহাট জেলা হাপতালে প্রেরণ করেন। সকাল ১০টার দিকে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
রাহাত শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের মাংস ব্যবসায়ী মো. হারেজ হাওলাদারের ছেলে। সে স্থানীয় সোনাতলা আলিম মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিলো।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন খলিল জানান, ছেলেটির বাবা হারেজ হাওলাদার মাংসের ব্যবসা (কসাই) করেন। সকালে গরম্ন কিনতে যাওয়ার জন্য গচ্ছিত টাকা গুণে এক হাজার টাকা কম পান। এ বিষয় নিয়ে ছেলেকে সন্দেহ করে জিজ্ঞাবাদ এবং বকাঝকা করে গরম্ন কেনার উদ্দেশে বাড়িতে থেকে বেরিয়ে যান তিনি। হয়তো টাকা চুরির অপবাদ সইতে না পেরে ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় ছেলেটি।

ইউপি সদস্য খলিল জানান, অসুস্থ রাহাতকে প্রথমে শরণখোলা হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রম্নত বাগেরহাট হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে তার মৃত বলে জানান।

শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সের জরম্নরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক পলস্নব বিশ্বাস জানান, কিশোর রাহাত মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক পান করায় তার অবস্থা চরম খারাপ হয়ে যায়। তাকে ওয়াশ করার মতো অবস্থা ছিলোনা। তাই তাকে দ্রম্নত বাগেরহাট জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। হয়তো সে পথেই মারা গেছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, বকুলতলা গ্রামে কীটনাশক পানে এক কিশোরের আত্মহত্যার কথা শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত্ম করে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Related Posts

মাদরাসাছাত্রের বিষপানে মৃত্যু

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

১৭ অক্টোবর, ২০২২,

৫:১৬ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

বাগেরহাটের শরণখোলায় বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে রাহাত (১৪) নামে এক মাদরাসা ছাত্র। সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে ঘরে থাকা ধানের পোকা দমনের কীটনাশক পান করে সে। প্রথমে তাকে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তার অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রম্নত বাগেরহাট জেলা হাপতালে প্রেরণ করেন। সকাল ১০টার দিকে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
রাহাত শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের মাংস ব্যবসায়ী মো. হারেজ হাওলাদারের ছেলে। সে স্থানীয় সোনাতলা আলিম মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিলো।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন খলিল জানান, ছেলেটির বাবা হারেজ হাওলাদার মাংসের ব্যবসা (কসাই) করেন। সকালে গরম্ন কিনতে যাওয়ার জন্য গচ্ছিত টাকা গুণে এক হাজার টাকা কম পান। এ বিষয় নিয়ে ছেলেকে সন্দেহ করে জিজ্ঞাবাদ এবং বকাঝকা করে গরম্ন কেনার উদ্দেশে বাড়িতে থেকে বেরিয়ে যান তিনি। হয়তো টাকা চুরির অপবাদ সইতে না পেরে ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় ছেলেটি।

ইউপি সদস্য খলিল জানান, অসুস্থ রাহাতকে প্রথমে শরণখোলা হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রম্নত বাগেরহাট হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে তার মৃত বলে জানান।

শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সের জরম্নরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক পলস্নব বিশ্বাস জানান, কিশোর রাহাত মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক পান করায় তার অবস্থা চরম খারাপ হয়ে যায়। তাকে ওয়াশ করার মতো অবস্থা ছিলোনা। তাই তাকে দ্রম্নত বাগেরহাট জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। হয়তো সে পথেই মারা গেছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, বকুলতলা গ্রামে কীটনাশক পানে এক কিশোরের আত্মহত্যার কথা শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত্ম করে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Related Posts