শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬:৪১
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৬:৪১

ঢাকা ফেরত তিন জনের ডেঙ্গু শনাক্ত

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

৮ অক্টোবর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৯:০০ pm

যশোরের ঝিকরগাছায় দুই বছর পর তিন ডেঙ্গু রোগির সন্ধান পেয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপরজন বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তরা সকলে ঢাকা থেকে আসার পর শরীরে জ্বর দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তাঁদের ডেঙ্গু ধরা পড়ে। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজনের বাড়ি ঝিকরগাছায় হলেও অপরজন পাশ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা।

শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে, পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন ডেঙ্গু রোগি মোহাম্মদ রকি (২০)। তিনি দুইদিন আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর ডেঙ্গু ধরা পড়ে। মোহাম্মদ রকি বলেন, ‘ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আমি। তিন দিন আগে শরীরে জ্বর দেখা দিলে বাড়ি চলে এসে হাসপাতালে ভর্তি হই। গতকাল পরীক্ষার পর আমার শরীরে ডেঙ্গু ধরা’।

উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মীর মুত্তাকিম (১৬) বলেন, ঢাকা বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে থেকে জ্বর নিয়ে বাড়ি আসি। হাসপাতালে ভর্তির পর আমার ডেঙ্গুজ্বর ধরা পড়ে’।

অপরজন উপজেলা সদরের কৃষ্ণনগর গ্রামের সুস্মিতা বিশ্বাস। তাঁর পিতা অপূর্ব বিশ্বাস বলেন, ‘মেয়ে সুস্মিতা বিশ্বাস ঢাকাতে চাকরি করে। কয়েকদিন আগে জ্বর নিয়ে বাড়িতে চলে আসার পর রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। ডাক্তারদের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে’।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রশিদুল আলম বলেন, দুই বছর পর গত শুক্রবার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগির সন্ধান মেলে। আক্রান্ত রোগিরা সকালে সুস্থ আছেন। তবে আক্রান্ত মোহাম্মদ রকির বাড়ি উপজেলার মল্লিকপুর ও মীর মুত্তাকিমের বাড়ি মনিরামপুরের বাসুদেবপুরে। দুই বছর আগে যখন ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটেছিল তখনো এই দুই গ্রামের মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল। এবার যদিও রোগিরা ঢাকা থেকে ফেরার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডাক্তার রশিদুল আলম আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনাকর্মী ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা সচেতনতার কাজ করছেন। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

Related Posts

ঢাকা ফেরত তিন জনের ডেঙ্গু শনাক্ত

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

৮ অক্টোবর, ২০২২,

৯:০০ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

যশোরের ঝিকরগাছায় দুই বছর পর তিন ডেঙ্গু রোগির সন্ধান পেয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপরজন বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তরা সকলে ঢাকা থেকে আসার পর শরীরে জ্বর দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তাঁদের ডেঙ্গু ধরা পড়ে। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজনের বাড়ি ঝিকরগাছায় হলেও অপরজন পাশ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা।

শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে, পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন ডেঙ্গু রোগি মোহাম্মদ রকি (২০)। তিনি দুইদিন আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর ডেঙ্গু ধরা পড়ে। মোহাম্মদ রকি বলেন, ‘ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আমি। তিন দিন আগে শরীরে জ্বর দেখা দিলে বাড়ি চলে এসে হাসপাতালে ভর্তি হই। গতকাল পরীক্ষার পর আমার শরীরে ডেঙ্গু ধরা’।

উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মীর মুত্তাকিম (১৬) বলেন, ঢাকা বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে থেকে জ্বর নিয়ে বাড়ি আসি। হাসপাতালে ভর্তির পর আমার ডেঙ্গুজ্বর ধরা পড়ে’।

অপরজন উপজেলা সদরের কৃষ্ণনগর গ্রামের সুস্মিতা বিশ্বাস। তাঁর পিতা অপূর্ব বিশ্বাস বলেন, ‘মেয়ে সুস্মিতা বিশ্বাস ঢাকাতে চাকরি করে। কয়েকদিন আগে জ্বর নিয়ে বাড়িতে চলে আসার পর রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। ডাক্তারদের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে’।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রশিদুল আলম বলেন, দুই বছর পর গত শুক্রবার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগির সন্ধান মেলে। আক্রান্ত রোগিরা সকালে সুস্থ আছেন। তবে আক্রান্ত মোহাম্মদ রকির বাড়ি উপজেলার মল্লিকপুর ও মীর মুত্তাকিমের বাড়ি মনিরামপুরের বাসুদেবপুরে। দুই বছর আগে যখন ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটেছিল তখনো এই দুই গ্রামের মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল। এবার যদিও রোগিরা ঢাকা থেকে ফেরার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডাক্তার রশিদুল আলম আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনাকর্মী ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা সচেতনতার কাজ করছেন। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

Related Posts