মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬:৩০
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৬:৩০

খাবারের সন্ধানে সুন্দরবন থেকে আসা সজারু ফিরে গেল বনে

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৬:০১ pm

বাগেরহাটের শরণখোলায় একটি সজারু উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বনে অবমুক্ত করা হয় সজারুটি।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের সুন্দরবনসংলগ্ন সোনাতলা গ্রামের ছালাম গাজীর বাড়ির বাগান থেকে সজারুটি উদ্ধার করা হয়। প্রাণিটি বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।

কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) ভোলা টহল দলের সভাপতি মো. খলিল জমাদ্দার জানান, গৃহকর্তা ছালাম গাজী সকালে বাড়ির বাগানে সজারুটি দেখে তাদেরকে খবর দেন। পরে বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্য শেখ নাজমুল ইসলামসহ সিপিজির সদস্যদের নিয়ে ওই বাড়ি থেকে কৌশলে সজারুটি ধরা হয়।

সিপিজির দলনেতা খলিল জমাদ্দার জানান, সজারম্নটি খাবারের সন্ধানে সুন্দরবন থেকে ভোলা নদী সাঁতরে লোকালয়ে চলে আসে। এদের প্রধান খাবার হচ্ছে কচু। একসময় গ্রামের ঝোপঝাড়ে প্রায়ই এই প্রাণিটি দেখা যেতো। কিন্তু এখন আর চোখে পড়েনা। তবে সুন্দরবনে মাঝেমধ্যে এদের দেখা মেলে।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশনের সহকারী স্টেশন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, উদ্ধার হওয়া সজারুটি ভোলা নদীর পশ্চিম পারে ধাবড়ি খালসংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। সজারু আগে সচরাচর দেখা গেলেও এখন তেমন একটা চোখে পড়েনা। এ কারণে প্রাণিটি বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির বলা যায়।

সজারুটি ওজন প্রায় ৪ কেজি। বয়স আনুমানিক এক বছর হবে। পূর্ণ বয়স্ক একটি সজারু ১০ থেকে ১২ কেজি ওজন হয়। বাঁচে ১৮ থেকে ২০ বছর।

 

Related Posts

খাবারের সন্ধানে সুন্দরবন থেকে আসা সজারু ফিরে গেল বনে

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২,

৬:০১ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

বাগেরহাটের শরণখোলায় একটি সজারু উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বনে অবমুক্ত করা হয় সজারুটি।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের সুন্দরবনসংলগ্ন সোনাতলা গ্রামের ছালাম গাজীর বাড়ির বাগান থেকে সজারুটি উদ্ধার করা হয়। প্রাণিটি বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।

কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) ভোলা টহল দলের সভাপতি মো. খলিল জমাদ্দার জানান, গৃহকর্তা ছালাম গাজী সকালে বাড়ির বাগানে সজারুটি দেখে তাদেরকে খবর দেন। পরে বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্য শেখ নাজমুল ইসলামসহ সিপিজির সদস্যদের নিয়ে ওই বাড়ি থেকে কৌশলে সজারুটি ধরা হয়।

সিপিজির দলনেতা খলিল জমাদ্দার জানান, সজারম্নটি খাবারের সন্ধানে সুন্দরবন থেকে ভোলা নদী সাঁতরে লোকালয়ে চলে আসে। এদের প্রধান খাবার হচ্ছে কচু। একসময় গ্রামের ঝোপঝাড়ে প্রায়ই এই প্রাণিটি দেখা যেতো। কিন্তু এখন আর চোখে পড়েনা। তবে সুন্দরবনে মাঝেমধ্যে এদের দেখা মেলে।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশনের সহকারী স্টেশন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, উদ্ধার হওয়া সজারুটি ভোলা নদীর পশ্চিম পারে ধাবড়ি খালসংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। সজারু আগে সচরাচর দেখা গেলেও এখন তেমন একটা চোখে পড়েনা। এ কারণে প্রাণিটি বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির বলা যায়।

সজারুটি ওজন প্রায় ৪ কেজি। বয়স আনুমানিক এক বছর হবে। পূর্ণ বয়স্ক একটি সজারু ১০ থেকে ১২ কেজি ওজন হয়। বাঁচে ১৮ থেকে ২০ বছর।

 

Related Posts