রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, সকাল ৭:০১
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২,সকাল ৭:০১

যশোরে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা

যশোর অফিস

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৯:২৩ pm

যশোর সদর উপজেলার সাজিয়ালি গ্রামে আলম নামে এক রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্বজনদের দাবি সাবেক চেয়ারম্যানের সাথে সখ‌্যতার কারণে বর্তমান চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে হত্যা করেছে। পুলিশের দাবি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত আলম কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের শামসুদ্দিন মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যশোরে বসবাস করছেন।

নিহতের স্ত্রী রোকসানা বেগম জানান, তার স্বামী আলম চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্নার রাইস মিলে চাকরি করতো। সেই সুবাদে তিনি চেয়ারম্যানের মিছিল মিটিংয়ে অংশ নিতেন। মুন্না চেয়ারম্যান নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর নতুন চেয়ারম্যান দাউদের লোকজন তাদের বাড়ি ভাঙচুর করে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর থেকে তারা যশোর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং তার স্বামী রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আজ দুপুরের দিকে আলম চুড়ামনকাটি এলাকায় গেলে দাউদ চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে বেধরক মারপিট করে অর্ধমৃত অবস্থায় ফেলে যায়। খবর পেয়ে মুন্না চেয়ারম্যান বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ভর্তির কিছু সময় পর তিনি মারা যান।

নিহতের স্ত্রী রোকসানা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না এ ঘটনায় জড়িত ইউপি চেয়ারম্যান দাউদ ও তার লোকজনকে আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকে অভিযান শুরু হয়েছে।মামলা প্রক্রিয়াধীন।

Related Posts

যশোরে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা

যশোর অফিস

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২,

৯:২৩ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

যশোর সদর উপজেলার সাজিয়ালি গ্রামে আলম নামে এক রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্বজনদের দাবি সাবেক চেয়ারম্যানের সাথে সখ‌্যতার কারণে বর্তমান চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে হত্যা করেছে। পুলিশের দাবি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত আলম কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের শামসুদ্দিন মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যশোরে বসবাস করছেন।

নিহতের স্ত্রী রোকসানা বেগম জানান, তার স্বামী আলম চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্নার রাইস মিলে চাকরি করতো। সেই সুবাদে তিনি চেয়ারম্যানের মিছিল মিটিংয়ে অংশ নিতেন। মুন্না চেয়ারম্যান নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর নতুন চেয়ারম্যান দাউদের লোকজন তাদের বাড়ি ভাঙচুর করে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর থেকে তারা যশোর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং তার স্বামী রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আজ দুপুরের দিকে আলম চুড়ামনকাটি এলাকায় গেলে দাউদ চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে বেধরক মারপিট করে অর্ধমৃত অবস্থায় ফেলে যায়। খবর পেয়ে মুন্না চেয়ারম্যান বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ভর্তির কিছু সময় পর তিনি মারা যান।

নিহতের স্ত্রী রোকসানা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না এ ঘটনায় জড়িত ইউপি চেয়ারম্যান দাউদ ও তার লোকজনকে আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকে অভিযান শুরু হয়েছে।মামলা প্রক্রিয়াধীন।

Related Posts