রবিবার, ২৮ মে ২০২৩, সন্ধ্যা ৬:৪৯
রবিবার, ২৮ মে ২০২৩,সন্ধ্যা ৬:৪৯

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেল সেই হরিণটি

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা

১৮ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৩:০২ pm

অবশেষে মারা গেল আহত সেই হরণটি। পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ অফিসে বনবিভাগের তত্বাবধানে চিকিৎসা চলছিল তার। সোমবার (১৮ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে মারা যায় হরিণটি। মৃত হরিণটি রেঞ্জ অফিস চত্বরে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে রোববার বিকেলে সুন্দরবনের ঢালিরঘোপ থেকে ভোলা নদী পার হয়ে বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের উত্তর সোনাতলা গ্রামে ঢুকে পড়ে মালি (স্ত্রী) হরিণটি। পরে বন সুরক্ষা কমিটির সদস্যরা ধাওয়া করে হরিণটি ধরে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, উদ্ধার হওয়া হরিণটি অবমুক্ত করার জন্য বনে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হরিণটি ছেড়ে দেওয়ার পর আর হাটতে পারছিলনা। পরে আবার স্টেশন অফিসে নিয়ে এসে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে যোগযোগ করা হয়। সন্ধ্যায় প্রাণী সম্পদ বিভাগের একজন চিকিৎসক এসে হরিণটির চিকিৎসা দিয়ে যান।

আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা থেকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের লোকজনের আসার কথা ছিল। কিন্তু তারা আসার আগেই সকাল ৬টার দিকে মারা যায় হরিণটি।

এসও আসাদুজ্জামান জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী মৃত হরিণটি রেঞ্জ অফিস চত্ত্বরে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। স্ত্রী হরিণটি দেখে প্রথমে অন্তসত্বা মনে হলেও তার পেটে কোনো বাচ্চা ছিলনা। তাছাড়া বড় ধরণের কোনো আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়নি।

শরণখোলা উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম জানান, হরিণটি শরীরের উপরিভাগে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। হয়তো হরিণটি ধরার সময় মাথায় বা শরীরের অভ্যন্তরে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। যে কারণে মারা যেতে পারে।

Related Posts

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেল সেই হরিণটি

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা

১৮ জুলাই, ২০২২,

৩:০২ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

অবশেষে মারা গেল আহত সেই হরণটি। পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ অফিসে বনবিভাগের তত্বাবধানে চিকিৎসা চলছিল তার। সোমবার (১৮ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে মারা যায় হরিণটি। মৃত হরিণটি রেঞ্জ অফিস চত্বরে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে রোববার বিকেলে সুন্দরবনের ঢালিরঘোপ থেকে ভোলা নদী পার হয়ে বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের উত্তর সোনাতলা গ্রামে ঢুকে পড়ে মালি (স্ত্রী) হরিণটি। পরে বন সুরক্ষা কমিটির সদস্যরা ধাওয়া করে হরিণটি ধরে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, উদ্ধার হওয়া হরিণটি অবমুক্ত করার জন্য বনে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হরিণটি ছেড়ে দেওয়ার পর আর হাটতে পারছিলনা। পরে আবার স্টেশন অফিসে নিয়ে এসে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে যোগযোগ করা হয়। সন্ধ্যায় প্রাণী সম্পদ বিভাগের একজন চিকিৎসক এসে হরিণটির চিকিৎসা দিয়ে যান।

আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা থেকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের লোকজনের আসার কথা ছিল। কিন্তু তারা আসার আগেই সকাল ৬টার দিকে মারা যায় হরিণটি।

এসও আসাদুজ্জামান জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী মৃত হরিণটি রেঞ্জ অফিস চত্ত্বরে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। স্ত্রী হরিণটি দেখে প্রথমে অন্তসত্বা মনে হলেও তার পেটে কোনো বাচ্চা ছিলনা। তাছাড়া বড় ধরণের কোনো আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়নি।

শরণখোলা উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম জানান, হরিণটি শরীরের উপরিভাগে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। হয়তো হরিণটি ধরার সময় মাথায় বা শরীরের অভ্যন্তরে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। যে কারণে মারা যেতে পারে।

Related Posts