রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, সকাল ৯:১৩
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২,সকাল ৯:১৩

স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যার পর আত্মসমর্পণ স্বামীর

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

১৫ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৯:৫৪ pm

যশোরের অভয়নগরে স্ত্রীসহ দুই শিশুকন্যাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে স্বামী জহিরুল ইসলাম বাবু (৩৩)। শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের চাঁপাতলা গ্রামের জনৈক নূর ইসলামের কলাবাগান তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জহিরুল ইসলাম বাবু বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

নিহতরা হলেন, জাহিরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (২৮) ও দুই শিশুকন্যা সামাইয়া (৯), সাফিয়া (২)। যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের বিশ্বাসপাড়ার মশিউর রহমানের ছেলে জহিরুল ইসলাম বাবু। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী।

জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে স্ত্রীসহ দুই শিশুকন্যাকে হত্যা করে সন্ধ্যায় জহিরুল নিজেই যশোর কতোয়ালি মডেল থানার বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেন।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম শামীম হাসান জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে। পুলিশ হেফাজতে থাকা জহিরুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে বলেছেন, শুক্রবার সকালে শ্বশুর বাড়ি অভয়নগর উপজেলার সিদ্ধিপাশা গ্রাম থেকে জগন্নাথপুরে নিজ বাড়িতে স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। পথিমধ্যে অভয়নগরের চাঁপাতলা গ্রামে নূর ইসলামের কলাবাগানের কাছে পৌঁছালে তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় জহুরুল প্রথমে স্ত্রীকে এবং পরবর্তীতে দুই শিশুকন্যাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং ওই কলাবাগানের মধ্যে মরদহে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এদিন সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার সময় জহিরুল বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে খুনের ঘটনা স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন। খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মরদেহ ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছাটি উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ওসি।

Related Posts

স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যার পর আত্মসমর্পণ স্বামীর

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

১৫ জুলাই, ২০২২,

৯:৫৪ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

যশোরের অভয়নগরে স্ত্রীসহ দুই শিশুকন্যাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে স্বামী জহিরুল ইসলাম বাবু (৩৩)। শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের চাঁপাতলা গ্রামের জনৈক নূর ইসলামের কলাবাগান তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জহিরুল ইসলাম বাবু বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

নিহতরা হলেন, জাহিরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (২৮) ও দুই শিশুকন্যা সামাইয়া (৯), সাফিয়া (২)। যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের বিশ্বাসপাড়ার মশিউর রহমানের ছেলে জহিরুল ইসলাম বাবু। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী।

জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে স্ত্রীসহ দুই শিশুকন্যাকে হত্যা করে সন্ধ্যায় জহিরুল নিজেই যশোর কতোয়ালি মডেল থানার বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেন।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম শামীম হাসান জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে। পুলিশ হেফাজতে থাকা জহিরুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে বলেছেন, শুক্রবার সকালে শ্বশুর বাড়ি অভয়নগর উপজেলার সিদ্ধিপাশা গ্রাম থেকে জগন্নাথপুরে নিজ বাড়িতে স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। পথিমধ্যে অভয়নগরের চাঁপাতলা গ্রামে নূর ইসলামের কলাবাগানের কাছে পৌঁছালে তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় জহুরুল প্রথমে স্ত্রীকে এবং পরবর্তীতে দুই শিশুকন্যাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং ওই কলাবাগানের মধ্যে মরদহে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এদিন সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার সময় জহিরুল বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে খুনের ঘটনা স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন। খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মরদেহ ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছাটি উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ওসি।

Related Posts