শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৭:২১
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৭:২১

রুশিয়া বাড়ি ফিরলেন ঠিকই, তবে নিথর দেহে

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী

১০ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৮:৫১ pm

ঈদ করতে বোনের সাথে বাড়ি ফিরেছেন ঠিকই, তবে জীবিত নয়, এবার তিনি ফিরেছেন প্রাণহীন নিথর দেহে। বলছি গার্মেন্টস শ্রমিক রুশিয়া আক্তার-এর কথা।

বরগুনার আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদারের স্ত্রী রুশিয়া আক্তার (৫০) ঢাকার একটি গার্মেন্টসে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত।

শুক্রবার (০৮ জুলাই) ঈদের ছুটিতে তার ছোট বোন মোর্শেদাকে নিয়ে সদরঘাট থেকে আমতলীর লঞ্চ না পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় ফতুল্লা লঞ্চঘাট থেকে পটুয়াখালীর লঞ্চে উঠতে যান রুশিয়া। সেখানেই গলাচিপাগামী এমভি সাব্বির-২ লঞ্চটি রুশিয়াকে চাপা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন রুশিয়া।

স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রুশিয়া আক্তারের মেয়ের জামাতা হারুন অর-রশিদ জানায়, আমতলীর লঞ্চ না পেয়ে আমার শ্বাশুড়ী তার ছোট বোনকে নিয়ে ফতুল্লা লঞ্চঘাট থেকে পটুয়াখালীর লঞ্চে উঠতে গেলে দ্রুত পাশ থেকে গলাচিপাগামী এমভি সাব্বির-২ নামের একটি লঞ্চ তাকে চাপা দিলে তিনি গুরুত্বর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শনিবার (০৯ জুলাই) মরদেহ বাড়িতে এনে জানাজা শেষে রুশিয়াকে দাফন করা হয়েছে বলে জানান হারুন। দুর্ঘটনার পর লঞ্চ কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের সহযোগিতা ও খোঁজ নেয়নি বলেও তিনি জানান।

আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহলী পারভীন মালা আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করে মুঠোফোনে বলেন, রুশিয়া আক্তার একজন গার্মেন্টস শ্রমিক ছিল। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসার পথে লঞ্চ দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। আর এভাবে কোন মৃত্যু আমাদের কাম্য নয়।

লঞ্চ দূর্ঘটনায় নিহত রুশিয়ার পরিবারকে যেন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় বলে সরকারের নিকট আমি দাবি করেছেন এই চেয়ারম্যান।

Related Posts

রুশিয়া বাড়ি ফিরলেন ঠিকই, তবে নিথর দেহে

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী

১০ জুলাই, ২০২২,

৮:৫১ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

ঈদ করতে বোনের সাথে বাড়ি ফিরেছেন ঠিকই, তবে জীবিত নয়, এবার তিনি ফিরেছেন প্রাণহীন নিথর দেহে। বলছি গার্মেন্টস শ্রমিক রুশিয়া আক্তার-এর কথা।

বরগুনার আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদারের স্ত্রী রুশিয়া আক্তার (৫০) ঢাকার একটি গার্মেন্টসে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত।

শুক্রবার (০৮ জুলাই) ঈদের ছুটিতে তার ছোট বোন মোর্শেদাকে নিয়ে সদরঘাট থেকে আমতলীর লঞ্চ না পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় ফতুল্লা লঞ্চঘাট থেকে পটুয়াখালীর লঞ্চে উঠতে যান রুশিয়া। সেখানেই গলাচিপাগামী এমভি সাব্বির-২ লঞ্চটি রুশিয়াকে চাপা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন রুশিয়া।

স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রুশিয়া আক্তারের মেয়ের জামাতা হারুন অর-রশিদ জানায়, আমতলীর লঞ্চ না পেয়ে আমার শ্বাশুড়ী তার ছোট বোনকে নিয়ে ফতুল্লা লঞ্চঘাট থেকে পটুয়াখালীর লঞ্চে উঠতে গেলে দ্রুত পাশ থেকে গলাচিপাগামী এমভি সাব্বির-২ নামের একটি লঞ্চ তাকে চাপা দিলে তিনি গুরুত্বর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শনিবার (০৯ জুলাই) মরদেহ বাড়িতে এনে জানাজা শেষে রুশিয়াকে দাফন করা হয়েছে বলে জানান হারুন। দুর্ঘটনার পর লঞ্চ কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের সহযোগিতা ও খোঁজ নেয়নি বলেও তিনি জানান।

আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহলী পারভীন মালা আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করে মুঠোফোনে বলেন, রুশিয়া আক্তার একজন গার্মেন্টস শ্রমিক ছিল। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসার পথে লঞ্চ দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। আর এভাবে কোন মৃত্যু আমাদের কাম্য নয়।

লঞ্চ দূর্ঘটনায় নিহত রুশিয়ার পরিবারকে যেন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় বলে সরকারের নিকট আমি দাবি করেছেন এই চেয়ারম্যান।

Related Posts