রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, সকাল ৭:৩৭
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২,সকাল ৭:৩৭

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গার ১৩ গ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপন

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

৯ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৩:২৩ pm

শনিবার ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার ১৩ গ্রামে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কাটাগড়, সহস্রাইল, দরি সহস্রাইল, মাইটকোমড়া, রাখালতলি গঙ্গানন্দপুরসহ ১০ গ্রামের আংশিক লোকজন একদিন আগে রোজা ও দুইটি ঈদ পালন করে থাকেন। তাই অন্য এলাকার একদিন আগে ওই ১০ গ্রামের লোকজন ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এছাড়া আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের ধলেরচর, ইছাপাশা গ্রামের  আংশিক মানুষ একই সাথে ঈদ উদযাপন করেন। একদিন আগে যারা ঈদ উৎসব উদযাপন করেন তাঁরা সবাই চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের মুরিদান।

বোয়ালমারীর শেখর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা সমিতির সভাপতি মো. ইস্রাফিল মোল্যা জানান, রূপাপাত ও শেখর ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ আজ শনিবার ঈদুল আযহার নামাজ উদযাপন করছেন। দীর্ঘদিন যাবত গ্রামগুলোর আংশিক মানুষ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুইটি ঈদ উদযাপন করে থাকেন।

আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও রূপাপাত ইউনিয়নের কাঁটাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহিদুল হক জানান,চট্রগ্রামের মির্জাখিল শরীফ ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে সহস্রাইল দায়রা শরিফ, রাখালতলি ও মাইটকুমরা মসজিদে এসব ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তিনটি জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে তারা নামাজ শেষ করেছেন বলে তিনি আরো জানান।

আলফাডাঙ্গার ধলেরচর গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা ওলামালীগের সাবেক সভাপতি আবু বক্কার বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল দায়রা শরিফে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি বলেন,আলফাডাঙ্গার আমরা যারা চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের মুরিদান তারা ধলেরচর মসজিদ ও ঈদগাহ ময়নানে আমাদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান বেঁচে থাকতে ঈদের নামাজ আদায় করতাম। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে সহস্রাইল নামাজ পড়ি।

 

 

Related Posts

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গার ১৩ গ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপন

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

৯ জুলাই, ২০২২,

৩:২৩ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

শনিবার ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার ১৩ গ্রামে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কাটাগড়, সহস্রাইল, দরি সহস্রাইল, মাইটকোমড়া, রাখালতলি গঙ্গানন্দপুরসহ ১০ গ্রামের আংশিক লোকজন একদিন আগে রোজা ও দুইটি ঈদ পালন করে থাকেন। তাই অন্য এলাকার একদিন আগে ওই ১০ গ্রামের লোকজন ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এছাড়া আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের ধলেরচর, ইছাপাশা গ্রামের  আংশিক মানুষ একই সাথে ঈদ উদযাপন করেন। একদিন আগে যারা ঈদ উৎসব উদযাপন করেন তাঁরা সবাই চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের মুরিদান।

বোয়ালমারীর শেখর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা সমিতির সভাপতি মো. ইস্রাফিল মোল্যা জানান, রূপাপাত ও শেখর ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ আজ শনিবার ঈদুল আযহার নামাজ উদযাপন করছেন। দীর্ঘদিন যাবত গ্রামগুলোর আংশিক মানুষ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুইটি ঈদ উদযাপন করে থাকেন।

আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও রূপাপাত ইউনিয়নের কাঁটাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহিদুল হক জানান,চট্রগ্রামের মির্জাখিল শরীফ ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে সহস্রাইল দায়রা শরিফ, রাখালতলি ও মাইটকুমরা মসজিদে এসব ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তিনটি জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে তারা নামাজ শেষ করেছেন বলে তিনি আরো জানান।

আলফাডাঙ্গার ধলেরচর গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা ওলামালীগের সাবেক সভাপতি আবু বক্কার বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল দায়রা শরিফে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি বলেন,আলফাডাঙ্গার আমরা যারা চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের মুরিদান তারা ধলেরচর মসজিদ ও ঈদগাহ ময়নানে আমাদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান বেঁচে থাকতে ঈদের নামাজ আদায় করতাম। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে সহস্রাইল নামাজ পড়ি।

 

 

Related Posts