মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬:১৭
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৬:১৭

আমতলী-তালতলীর মসলার বাজার অস্থির

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী

৮ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

২:৩৩ pm

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অস্থির হয়ে উঠছে মসলার বাজার। বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলাসহ উপকূলের বিভিন্ন হাট-বাজারে গরম মসলা বাজার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে মসলার দাম।

সরেজমিনে আমতলী ও তালতলী শহরের একাধিক মুদি দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, গত বছর ঈদুল আজহার পূর্বে এক কেজি রসুন ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা এ বছর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পিঁয়াজ ছিল ২৮ থেকে ৩৫ টাকা এখন ৪৫ থেকে ৫২ টাকা, আদা ছিল ১৫০ টাকা এখন ২০০ থেকে ২২০ টাকা, জিরা ছিল ৪০০ টাকা এখন ৪৫০ টাকা, গোলমরিচ ছিল ১৮০ টাকা, বর্তমানে তা ২০০ টাকা। এছাড়া এলাচ, দারুচিনি, কিসমিসসহ অন্যান্য মসলার দামও গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে।

আমতলী পৌর শহরের খলিল মহাজন ও লাল মিয়ার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, রসুন, পিঁয়াজসহ আমদানি করা মসলার বেধে দেয়া সরকারি দাম কোন ব্যবসায়ীরা মানছেন না। পাইকারি থেকে ছোট দোকানদাররা পর্যন্ত একে অপরকে দোষারোপ করেই নিজের দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন।

মসলা ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম বলেন, ঢালাওভাবে বলা হচ্ছে, বাজারে দোকানদারেরা সব মসলার দাম বাড়িয়েছেন, এটা সঠিক নয়। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে মহাজনদের কাছ থেকে আমাদের বেশি দামে মসলা কিনতে হচ্ছে। তাই আমারাও ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে মসলা বিক্রি করছি।

নতুন বাজারে মসলা কিনতে আসা ক্রেতা দেলোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মসলার বাজারে কি সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিক্রেতারা প্রতিটি মসলা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দাম চাচ্ছে। আমাদের মত স্বল্প আয়ের মানুষ কিভাবে কোরবানির জন্য এত দামে মসলা কিনবো।

তালতলী বাজারে আব্দুল মোতালিব ও আবু ইউসুফ নামে দুই ক্রেতা জানান, কোরবানিকে সামনে রেখে বাজারে মসলার যে দাম তা আমাদের মত সাধারণ মানুষের কেনা সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা মাফিক দাম বাড়াচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একেএম আবদুল্লা বিন রশিদ মুঠোফোনে বলেন, মসলার বাজার নিয়ন্ত্রণে আজকেই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Related Posts

আমতলী-তালতলীর মসলার বাজার অস্থির

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী

৮ জুলাই, ২০২২,

২:৩৩ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অস্থির হয়ে উঠছে মসলার বাজার। বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলাসহ উপকূলের বিভিন্ন হাট-বাজারে গরম মসলা বাজার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে মসলার দাম।

সরেজমিনে আমতলী ও তালতলী শহরের একাধিক মুদি দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, গত বছর ঈদুল আজহার পূর্বে এক কেজি রসুন ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা এ বছর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পিঁয়াজ ছিল ২৮ থেকে ৩৫ টাকা এখন ৪৫ থেকে ৫২ টাকা, আদা ছিল ১৫০ টাকা এখন ২০০ থেকে ২২০ টাকা, জিরা ছিল ৪০০ টাকা এখন ৪৫০ টাকা, গোলমরিচ ছিল ১৮০ টাকা, বর্তমানে তা ২০০ টাকা। এছাড়া এলাচ, দারুচিনি, কিসমিসসহ অন্যান্য মসলার দামও গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে।

আমতলী পৌর শহরের খলিল মহাজন ও লাল মিয়ার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, রসুন, পিঁয়াজসহ আমদানি করা মসলার বেধে দেয়া সরকারি দাম কোন ব্যবসায়ীরা মানছেন না। পাইকারি থেকে ছোট দোকানদাররা পর্যন্ত একে অপরকে দোষারোপ করেই নিজের দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন।

মসলা ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম বলেন, ঢালাওভাবে বলা হচ্ছে, বাজারে দোকানদারেরা সব মসলার দাম বাড়িয়েছেন, এটা সঠিক নয়। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে মহাজনদের কাছ থেকে আমাদের বেশি দামে মসলা কিনতে হচ্ছে। তাই আমারাও ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে মসলা বিক্রি করছি।

নতুন বাজারে মসলা কিনতে আসা ক্রেতা দেলোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মসলার বাজারে কি সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিক্রেতারা প্রতিটি মসলা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দাম চাচ্ছে। আমাদের মত স্বল্প আয়ের মানুষ কিভাবে কোরবানির জন্য এত দামে মসলা কিনবো।

তালতলী বাজারে আব্দুল মোতালিব ও আবু ইউসুফ নামে দুই ক্রেতা জানান, কোরবানিকে সামনে রেখে বাজারে মসলার যে দাম তা আমাদের মত সাধারণ মানুষের কেনা সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা মাফিক দাম বাড়াচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একেএম আবদুল্লা বিন রশিদ মুঠোফোনে বলেন, মসলার বাজার নিয়ন্ত্রণে আজকেই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Related Posts