মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, বিকাল ৪:১৯
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২,বিকাল ৪:১৯

পিঁয়াজ আমদানি শুরু, কেজি ৩৬ টাকা

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর

৮ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

১২:০৯ পূর্বাহ্ণ

দুই মাস পর আবারও যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রতি টন ১৫০ ইউএস ডলার, অর্থাৎ ১৪ হাজার টাকা মূল্যে ঢুকছে পেঁয়াজ। আমদানি মূল্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ককর পরিশোধ করে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি খরচ পড়ছে ৩৪ টাকা। আর বাজারে এই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকায়। আমদানি স্বাভাবিক হলে আরও দাম কমবে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা।

জানা যায়, আমদানির খবরে প্রথম দিনই খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের দর কেজিতে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর আমদানি বন্ধে বাজারে পেঁয়াজের দাম খুব একটা বাড়েনি। দেশে বন্যা পরিস্থিতিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সংকটের আশঙ্কা এবং ঈদে যাতে পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি না হয়, এ জন্য সরকার আমদানির অনুমতি দেয়।

পেঁয়াজ ক্রেতা জসিম বলেন, গতকালও দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৪৫ টাকায় কিনেছি। আমদানির খবরে আজ কেজিতে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। কিছুটা কম দামে পেয়ে উপকার হচ্ছে।

খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আলিম জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি স্বাভাবিক হলে দাম আরও কমে যাবে। তবে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানিতে দেশি পেঁয়াজে তাঁদের লোকসানে পড়তে হয়েছে।

আমদানিকারক গাজী শামিম উদ্দীন বলেন, সরকার ইমপোর্ট পারমিট দেওয়ায় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। বেনাপোল বন্দর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আমদানি ও সরবরাহ বাড়লে আরও দাম কমে আসবে।

খুচরা পিঁয়াজ বিক্রেতা আলিম জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি স্বাভাবিক হলে দাম আরো কমে যাবে। তবে ভারতীয় পিঁয়াজ আমদানিতে দেশি পিঁয়াজে তাদের লোকশানে পড়তে হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, দুই মাস পরে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে, যাতে দ্রুত বন্দর থেকে খালাস নিতে পারে। এ জন্য ২৪ ঘণ্টা বন্দর খোলা থাকছে।

Related Posts

পিঁয়াজ আমদানি শুরু, কেজি ৩৬ টাকা

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর

৮ জুলাই, ২০২২,

১২:০৯ পূর্বাহ্ণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

দুই মাস পর আবারও যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রতি টন ১৫০ ইউএস ডলার, অর্থাৎ ১৪ হাজার টাকা মূল্যে ঢুকছে পেঁয়াজ। আমদানি মূল্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ককর পরিশোধ করে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি খরচ পড়ছে ৩৪ টাকা। আর বাজারে এই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকায়। আমদানি স্বাভাবিক হলে আরও দাম কমবে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা।

জানা যায়, আমদানির খবরে প্রথম দিনই খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের দর কেজিতে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর আমদানি বন্ধে বাজারে পেঁয়াজের দাম খুব একটা বাড়েনি। দেশে বন্যা পরিস্থিতিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সংকটের আশঙ্কা এবং ঈদে যাতে পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি না হয়, এ জন্য সরকার আমদানির অনুমতি দেয়।

পেঁয়াজ ক্রেতা জসিম বলেন, গতকালও দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৪৫ টাকায় কিনেছি। আমদানির খবরে আজ কেজিতে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। কিছুটা কম দামে পেয়ে উপকার হচ্ছে।

খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আলিম জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি স্বাভাবিক হলে দাম আরও কমে যাবে। তবে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানিতে দেশি পেঁয়াজে তাঁদের লোকসানে পড়তে হয়েছে।

আমদানিকারক গাজী শামিম উদ্দীন বলেন, সরকার ইমপোর্ট পারমিট দেওয়ায় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। বেনাপোল বন্দর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আমদানি ও সরবরাহ বাড়লে আরও দাম কমে আসবে।

খুচরা পিঁয়াজ বিক্রেতা আলিম জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি স্বাভাবিক হলে দাম আরো কমে যাবে। তবে ভারতীয় পিঁয়াজ আমদানিতে দেশি পিঁয়াজে তাদের লোকশানে পড়তে হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, দুই মাস পরে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে, যাতে দ্রুত বন্দর থেকে খালাস নিতে পারে। এ জন্য ২৪ ঘণ্টা বন্দর খোলা থাকছে।

Related Posts