রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, সকাল ৭:৩৮
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২,সকাল ৭:৩৮

গরুর দাম চড়া, কদর বেড়েছে ছাগলের

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

৫ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

১০:০৫ pm

দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পশু হাট যশোরের মণিরামপুরে। সপ্তাহের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার পৃথক পৃথক স্থানে এখানে গরু-ছাগলের হাট বসে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাট দুটিতে সকাল থেকে উপচে পড়া ভিড় বাড়তে থাকে। ভোর থেকে উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী কেশবপুর, নওয়াপাড়া ও ঝিকরগাছা উপজেলা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতা গবাদিপশু নিয়ে আশা শুরু করেন হাটে। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরু-ছাগলের পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি হাটের চারিদিকে কানায়-কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির গরুর দাম বেশি বলে ক্রেতারা জানিয়েছেন। তবে এবার গো-খাদ্য দাম বেশি। তাই বিক্রেতারা দাম চাচ্ছেন বেশি।

আজ মঙ্গলবার সরেজমিন মণিরামপুর পশু হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটে সারি সারিভাবে গরু দাঁড়িয়ে আছে। ছোটবড় অসংখ্য গরু। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে অনেক গরুকে সাজিয়ে আনা হয়েছে। গরুর আকারের উপর নির্ভর করে দাম চাচ্ছেন বিক্রেতা। আর ক্রেতারা পছন্দ হলে দরদাম করছেন। তবে ৭০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে বেশি গরু বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, ছাগলের হাটে একই রকমের ভিড় দেখা গেছে। তবে মধ্যবিত্ত পরিবাররা খাসি ছাগল ও ভেড়া কিনতে বেশি আগ্রহী। ১২ থেকে ২৫ হাজারে মধ্যে বেশি ছাগল কিনতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। হাট দুটিতে স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের জেলার ক্রেতাদের সমাগম ছিল লক্ষণীয়।

গরু বিক্রেতা গোপালপুরের রানা হোসেন বলেন, তিনি ছোটবড় ১১টি গরু নিয়ে এসেছেন। ৩টি গরু বিক্রি হয়েছে আর ৮টি রয়েছে। ক্রেতা যে দাম বলছে তার চেয়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেশি হলেই বিক্রি করে দিবেন। তবে প্রচুর পরিমাণে গরু হাটে আসায় ক্রেতারা পছন্দের গরু কিনতে দ্বিধায় পড়েছেন।

রফিক, জব্বার, মিলনসহ অনেকের বাড়ির পোষা গরু নিয়ে এসেছেন তবে যে দাম চাচ্ছেন সেই দাম পাচ্ছেন না। তবে দাম নায্য দাম না পেলে গরু ফেরত নিয়ে যাবেন বলে জানান। আবার অনেকেই অপেক্ষা করছেন কোন ক্রেতা বেশি দাম বললেই বিক্রি করে দিবেন।

এদিকে ছাগলের হাটে একই অবস্থা রয়েছে। হাটের আশপাশে জায়গায় প্রচুর ছাগল আমদানি হয়েছে। দাম নাগালে থাকলেও বিক্রি পরিমাণ কম। তবে ক্রেতারা পছন্দমত ছাগল কিনছেন বলে জানান ইজারাদার প্রতিনিধিরা।

হাট ইজারাদার ফারুক আহাম্মেদ লিটন বলেন, হাটে চাহিদার তুলনায় গরু আমদানি হয়েছে। তবে ক্রেতা খুবই কম। হাটে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা সজাগ রয়েছেন।

Related Posts

গরুর দাম চড়া, কদর বেড়েছে ছাগলের

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

৫ জুলাই, ২০২২,

১০:০৫ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পশু হাট যশোরের মণিরামপুরে। সপ্তাহের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার পৃথক পৃথক স্থানে এখানে গরু-ছাগলের হাট বসে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাট দুটিতে সকাল থেকে উপচে পড়া ভিড় বাড়তে থাকে। ভোর থেকে উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী কেশবপুর, নওয়াপাড়া ও ঝিকরগাছা উপজেলা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতা গবাদিপশু নিয়ে আশা শুরু করেন হাটে। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরু-ছাগলের পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি হাটের চারিদিকে কানায়-কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির গরুর দাম বেশি বলে ক্রেতারা জানিয়েছেন। তবে এবার গো-খাদ্য দাম বেশি। তাই বিক্রেতারা দাম চাচ্ছেন বেশি।

আজ মঙ্গলবার সরেজমিন মণিরামপুর পশু হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটে সারি সারিভাবে গরু দাঁড়িয়ে আছে। ছোটবড় অসংখ্য গরু। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে অনেক গরুকে সাজিয়ে আনা হয়েছে। গরুর আকারের উপর নির্ভর করে দাম চাচ্ছেন বিক্রেতা। আর ক্রেতারা পছন্দ হলে দরদাম করছেন। তবে ৭০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে বেশি গরু বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, ছাগলের হাটে একই রকমের ভিড় দেখা গেছে। তবে মধ্যবিত্ত পরিবাররা খাসি ছাগল ও ভেড়া কিনতে বেশি আগ্রহী। ১২ থেকে ২৫ হাজারে মধ্যে বেশি ছাগল কিনতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। হাট দুটিতে স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের জেলার ক্রেতাদের সমাগম ছিল লক্ষণীয়।

গরু বিক্রেতা গোপালপুরের রানা হোসেন বলেন, তিনি ছোটবড় ১১টি গরু নিয়ে এসেছেন। ৩টি গরু বিক্রি হয়েছে আর ৮টি রয়েছে। ক্রেতা যে দাম বলছে তার চেয়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেশি হলেই বিক্রি করে দিবেন। তবে প্রচুর পরিমাণে গরু হাটে আসায় ক্রেতারা পছন্দের গরু কিনতে দ্বিধায় পড়েছেন।

রফিক, জব্বার, মিলনসহ অনেকের বাড়ির পোষা গরু নিয়ে এসেছেন তবে যে দাম চাচ্ছেন সেই দাম পাচ্ছেন না। তবে দাম নায্য দাম না পেলে গরু ফেরত নিয়ে যাবেন বলে জানান। আবার অনেকেই অপেক্ষা করছেন কোন ক্রেতা বেশি দাম বললেই বিক্রি করে দিবেন।

এদিকে ছাগলের হাটে একই অবস্থা রয়েছে। হাটের আশপাশে জায়গায় প্রচুর ছাগল আমদানি হয়েছে। দাম নাগালে থাকলেও বিক্রি পরিমাণ কম। তবে ক্রেতারা পছন্দমত ছাগল কিনছেন বলে জানান ইজারাদার প্রতিনিধিরা।

হাট ইজারাদার ফারুক আহাম্মেদ লিটন বলেন, হাটে চাহিদার তুলনায় গরু আমদানি হয়েছে। তবে ক্রেতা খুবই কম। হাটে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা সজাগ রয়েছেন।

Related Posts