রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, সকাল ৮:৫৬
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২,সকাল ৮:৫৬

ঘরে একা পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণ!

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী

৩ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

১:৫৬ pm

বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গাবতলী গ্রামে একটি আবাসনে ধর্ষণের শিকার হয়েছে পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা এক গৃহবধূ।

শনিবার (০২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ঘরে ঢুকে জোর করে ধর্ষণ ও মারধর করেছে একই গ্রামের প্রভাবশালী প্রতিবেশী আকাব্বর কাজীর ছেলে বারেক কাজী।

পরে ওই গৃহবধূর মা টের পেয়ে বাহির থেকে দরজা তলা বন্ধ করে রাখে ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লা তালা ভেঙে লোকজন নিয়ে ধর্ষক বারেক কাজীকে নিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে ধর্ষণের স্বীকার গৃহবধূকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল চিকিৎসার জন্য পাঠায়।

ধর্ষণের স্বীকার ওই গৃহবধূর মা বলেন, আমার মেয়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকায় আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বিয়ের আগে থেকেই অভিযুক্ত বারেক কাজী আমার মেয়েকে বিরক্ত করে আসছে। বিয়ের পরে যখন মেয়ে বাড়িতে আসে তখনও কুপ্রস্তাব দেয় বারেক। শনিবার রাতে আমি ঘর থেকে বাহিরে বের হলে সুযোগ বুঝে বারেক কাজী ঘরে প্রবেশ করে মেয়ের মুখ চেপে ধর্ষণ করে। আমি বাহির থেকে দরজা তালাবন্ধ করে আশপাশের লোকজন ডাকলে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লা লোকজন নিয়ে এসে তালা ভেঙে মেয়েকে মারধর করে বারেক গাজীকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। আমার মেয়ে বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন তপু মুঠোফোনে বলেন, রাতে ৯৯৯ ফোন পেয়ে থানা থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Posts

ঘরে একা পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণ!

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী

৩ জুলাই, ২০২২,

১:৫৬ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গাবতলী গ্রামে একটি আবাসনে ধর্ষণের শিকার হয়েছে পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা এক গৃহবধূ।

শনিবার (০২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ঘরে ঢুকে জোর করে ধর্ষণ ও মারধর করেছে একই গ্রামের প্রভাবশালী প্রতিবেশী আকাব্বর কাজীর ছেলে বারেক কাজী।

পরে ওই গৃহবধূর মা টের পেয়ে বাহির থেকে দরজা তলা বন্ধ করে রাখে ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লা তালা ভেঙে লোকজন নিয়ে ধর্ষক বারেক কাজীকে নিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে ধর্ষণের স্বীকার গৃহবধূকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল চিকিৎসার জন্য পাঠায়।

ধর্ষণের স্বীকার ওই গৃহবধূর মা বলেন, আমার মেয়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকায় আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বিয়ের আগে থেকেই অভিযুক্ত বারেক কাজী আমার মেয়েকে বিরক্ত করে আসছে। বিয়ের পরে যখন মেয়ে বাড়িতে আসে তখনও কুপ্রস্তাব দেয় বারেক। শনিবার রাতে আমি ঘর থেকে বাহিরে বের হলে সুযোগ বুঝে বারেক কাজী ঘরে প্রবেশ করে মেয়ের মুখ চেপে ধর্ষণ করে। আমি বাহির থেকে দরজা তালাবন্ধ করে আশপাশের লোকজন ডাকলে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লা লোকজন নিয়ে এসে তালা ভেঙে মেয়েকে মারধর করে বারেক গাজীকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। আমার মেয়ে বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন তপু মুঠোফোনে বলেন, রাতে ৯৯৯ ফোন পেয়ে থানা থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Posts