মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬:১৩
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৬:১৩

ভাগ্নের হাতুড়ির আঘাতে মামা খুন!

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

২ জুলাই, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৪:১৩ pm

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার বিলপাড়া এলাকায় ভাগ্নের হাতুড়ির আঘাতে প্রাণ গেল এক ব্যক্তির। তার নাম আয়ূব আলী (৫৫)। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত আয়ূব আলী একই এলাকার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে শুক্রবার বিকালে আয়ূব আলী উপজেলার আমলা ইউনিয়নের নিমতলা বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে ফিরছিলেন। এমন সময় আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার বিলপাড়া এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার পাশের ঝোঁপ থেকে হঠাৎ হাতুড়ি নিয়ে বেরিয়ে আসেন অভিযুক্ত ঘাতক ভাগ্নে সাজু। এরপর সাজু মোটরসাইকেল লাথি দিয়ে ফেলে দেয়। এতে মামা আয়ূব আলী রাস্তার ধারে পড়ে গেলে হাতুড়ি দিয়ে মুখ ও মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান সাজু। স্থানীয় লোকজন আয়ূব আলীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পর থেকেই ঘাতক অভিযুক্ত ভাগ্নে সাজু পলাতক রয়েছেন। তিনি উপজেলার আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার বিলপাড়া এলাকার রাজ্জাক আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একটি হত্যা মামলা রয়েছে। হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতে পলাতক ছিলেন সাজু।

নিহতের ভাতিজা হুমায়ূন কবির বলেন, চাচার চিকিৎসার জন্য দৌড়াদৌড়ি করায় থানায় অভিযোগ দিতে পারিনি। তবে বিষয়টি থানায় মৌখিকভাবে জানিয়েছি। এখন হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, এখনও থানায় কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Posts

ভাগ্নের হাতুড়ির আঘাতে মামা খুন!

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

২ জুলাই, ২০২২,

৪:১৩ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার বিলপাড়া এলাকায় ভাগ্নের হাতুড়ির আঘাতে প্রাণ গেল এক ব্যক্তির। তার নাম আয়ূব আলী (৫৫)। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত আয়ূব আলী একই এলাকার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে শুক্রবার বিকালে আয়ূব আলী উপজেলার আমলা ইউনিয়নের নিমতলা বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে ফিরছিলেন। এমন সময় আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার বিলপাড়া এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার পাশের ঝোঁপ থেকে হঠাৎ হাতুড়ি নিয়ে বেরিয়ে আসেন অভিযুক্ত ঘাতক ভাগ্নে সাজু। এরপর সাজু মোটরসাইকেল লাথি দিয়ে ফেলে দেয়। এতে মামা আয়ূব আলী রাস্তার ধারে পড়ে গেলে হাতুড়ি দিয়ে মুখ ও মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান সাজু। স্থানীয় লোকজন আয়ূব আলীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পর থেকেই ঘাতক অভিযুক্ত ভাগ্নে সাজু পলাতক রয়েছেন। তিনি উপজেলার আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার বিলপাড়া এলাকার রাজ্জাক আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একটি হত্যা মামলা রয়েছে। হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতে পলাতক ছিলেন সাজু।

নিহতের ভাতিজা হুমায়ূন কবির বলেন, চাচার চিকিৎসার জন্য দৌড়াদৌড়ি করায় থানায় অভিযোগ দিতে পারিনি। তবে বিষয়টি থানায় মৌখিকভাবে জানিয়েছি। এখন হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, এখনও থানায় কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Posts