শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬:৩৭
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,সন্ধ্যা ৬:৩৭

কাল থেকে বেনাপোল বন্দরে কর্মবিরতি, বন্ধ থাকবে পণ্য খালাস 

২৭ জুন, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৪:২৯ pm

কাল থেকে বেনাপোল বন্দরে কর্মবিরতি, পণ্য খালাস বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর : বিভিন্ন দাবিতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন দু’দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন।
আগামীকাল মঙ্গলবার ও বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বেনাপোল বন্দরসহ দেশের ১১টি শুল্ক স্টেশনে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানান ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান।
এর আগে একই দাবিতে গত ৭ জুন ফেডারেশনের ডাকে বেনাপোল বন্দরে একদিনের কর্মবিরতি পালিত হয়।
বেনাপোল ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার ও বুধবার দুইদিন বেনাপোল বন্দর ও শুল্ক ভবনের কাজকর্ম বন্ধ রাখা হবে। তবে দাবি দাওয়া পূরণ হলে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত পরিবর্তনও করতে পারে।
তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ সংশোধনসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।
লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ সংশোধনের দাবি একাধিকবার জানিয়ে আসলেও সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে না নেওয়ায় বাধ্য এ বাণিজ্যিক সংগঠনটি কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।
অন্যান্য দাবি সম্পর্কে জানতে চাইলে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন, কোন সিএন্ডএফ এজেন্টের মালিক মারা গেলে তার স্ত্রী বা সন্তানদের নামে সেই লাইসেন্স হস্থান্তর করতে হবে।
(২) আমদানিকারকের কাছে ডিমান্ডের বকেয়া টাকা পাওনা হলে সিএন্ডএফ এজেন্টের এআইএন (AIN) লক করা হয় কিন্তু আমদানিকারকের বিন (BIN) নম্বর লক করা হয়না। সিএন্ডএফ এজেন্টের এআইএন লক করা বন্ধ করতে হবে।
(৩) সিএন্ডএফ এজেন্ট এর স্ত্রী বা সন্তানরা বিএ পাশ হলেও তাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লাইসেন্সিং বিধিমালা অনুযায়ী পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।এটা বন্ধ করতে হবে।
(৪) পণ্যের এইচএসকোড পরিবর্তনের নামে ২০০% জরিমানা বন্ধ করতে হবে । কারণ এলসি (ঋণপত্র) করার সময় ব্যাংক এইচএসকোড নির্ধারণ করে এলসি করেন।
(৫) কথায় কথায় লাইসেন্স বাতিল বন্ধ করতে হবে।
(৬) নানামুখি হয়রানি বন্ধসহ দিনের দিন পণ্য
খালাশ করতে হবে।
এ বিষয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান জানান, ২০২০ লাইসেন্সিং বিধিমালা সংশোধনের জন্য কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তারা আমলে নেয়নি। অবশেষে অ্যাসোসিয়েশনের সবার মতামত নিয়ে যৌক্তিক দাবি আদায়ে এই কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। একই দাবিতে গত ৭ জুন ফেডারেশনের ডাকে বেনাপোল বন্দরে একদিনের কর্মবিরতি পালিত হয়।

Related Posts

কাল থেকে বেনাপোল বন্দরে কর্মবিরতি, বন্ধ থাকবে পণ্য খালাস 

২৭ জুন, ২০২২,

৪:২৯ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

কাল থেকে বেনাপোল বন্দরে কর্মবিরতি, পণ্য খালাস বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর : বিভিন্ন দাবিতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন দু’দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন।
আগামীকাল মঙ্গলবার ও বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বেনাপোল বন্দরসহ দেশের ১১টি শুল্ক স্টেশনে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানান ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান।
এর আগে একই দাবিতে গত ৭ জুন ফেডারেশনের ডাকে বেনাপোল বন্দরে একদিনের কর্মবিরতি পালিত হয়।
বেনাপোল ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার ও বুধবার দুইদিন বেনাপোল বন্দর ও শুল্ক ভবনের কাজকর্ম বন্ধ রাখা হবে। তবে দাবি দাওয়া পূরণ হলে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত পরিবর্তনও করতে পারে।
তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ সংশোধনসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।
লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ সংশোধনের দাবি একাধিকবার জানিয়ে আসলেও সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে না নেওয়ায় বাধ্য এ বাণিজ্যিক সংগঠনটি কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।
অন্যান্য দাবি সম্পর্কে জানতে চাইলে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন, কোন সিএন্ডএফ এজেন্টের মালিক মারা গেলে তার স্ত্রী বা সন্তানদের নামে সেই লাইসেন্স হস্থান্তর করতে হবে।
(২) আমদানিকারকের কাছে ডিমান্ডের বকেয়া টাকা পাওনা হলে সিএন্ডএফ এজেন্টের এআইএন (AIN) লক করা হয় কিন্তু আমদানিকারকের বিন (BIN) নম্বর লক করা হয়না। সিএন্ডএফ এজেন্টের এআইএন লক করা বন্ধ করতে হবে।
(৩) সিএন্ডএফ এজেন্ট এর স্ত্রী বা সন্তানরা বিএ পাশ হলেও তাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লাইসেন্সিং বিধিমালা অনুযায়ী পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।এটা বন্ধ করতে হবে।
(৪) পণ্যের এইচএসকোড পরিবর্তনের নামে ২০০% জরিমানা বন্ধ করতে হবে । কারণ এলসি (ঋণপত্র) করার সময় ব্যাংক এইচএসকোড নির্ধারণ করে এলসি করেন।
(৫) কথায় কথায় লাইসেন্স বাতিল বন্ধ করতে হবে।
(৬) নানামুখি হয়রানি বন্ধসহ দিনের দিন পণ্য
খালাশ করতে হবে।
এ বিষয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান জানান, ২০২০ লাইসেন্সিং বিধিমালা সংশোধনের জন্য কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তারা আমলে নেয়নি। অবশেষে অ্যাসোসিয়েশনের সবার মতামত নিয়ে যৌক্তিক দাবি আদায়ে এই কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। একই দাবিতে গত ৭ জুন ফেডারেশনের ডাকে বেনাপোল বন্দরে একদিনের কর্মবিরতি পালিত হয়।

Related Posts