রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, সকাল ৮:২০
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২,সকাল ৮:২০

‘যৌতুকের’ জন্য গৃহবধূকে হত্যা, শ্বাশুড়ি গ্রেফতার

২৫ জুন, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৯:০৮ pm

প্রতিনিধি, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে টাঙ্গাব ইউনিয়নের ছাপিলা গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে মুসলিমা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুন) রাতে এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিতে পাগলা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শ্বাশুড়ি আনোয়ারা খাতুনকে (৫০) গ্রেফতার করে পুলিশ।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টাঙ্গাব ইউনিয়নের ছাপিলা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আল-আমিন’র (৩০) সাথে প্রায় তিন বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী দত্তেরবাজার ইউনিয়নের বিরই গ্রামের রিটন মিয়ার মেয়ে মুসলিমা খাতুনের বিয়ে হয়। এই দম্পতির ঘরে আরাফাত নামে দুই বছর বয়সের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। আল-আমিন ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য প্রায়েই মুসলিমাকে মারধর করতেন। শুক্রবার আবারো মুসলিমাকে শারীরিক নির্যাতন করে রক্তাক্ত জখম করে আলামিনের পরিবারের লোকজন। এক পর্যায়ে মৃত্যু হলে তারা প্রচার করে মুসলিমা ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে। পরে এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে পাগলা থানা পুলিশ রাতেই তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে।

মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের নাকে, মাথায় ও বুকের ডান পাশে রক্তাক্ত জখম ছিল। এ ঘটনায় নিহতের মা রোকেয়া খাতুন শুক্রবার রাতে পাগলা থানায় মুসলিমার স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে আসামি করে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ শ্বাশুড়ি আনোয়ারা খাতুনকে গ্রেফতার করেন।

নিহতের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, অমানুষের বাচ্চা আল-আমিন তার মা-বাবারে লইয়া আমার মায়াডারে মাইরা ফালাইছে। আমি বিচার চাই।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।

Related Posts

‘যৌতুকের’ জন্য গৃহবধূকে হত্যা, শ্বাশুড়ি গ্রেফতার

২৫ জুন, ২০২২,

৯:০৮ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

প্রতিনিধি, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে টাঙ্গাব ইউনিয়নের ছাপিলা গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে মুসলিমা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুন) রাতে এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিতে পাগলা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শ্বাশুড়ি আনোয়ারা খাতুনকে (৫০) গ্রেফতার করে পুলিশ।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টাঙ্গাব ইউনিয়নের ছাপিলা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আল-আমিন’র (৩০) সাথে প্রায় তিন বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী দত্তেরবাজার ইউনিয়নের বিরই গ্রামের রিটন মিয়ার মেয়ে মুসলিমা খাতুনের বিয়ে হয়। এই দম্পতির ঘরে আরাফাত নামে দুই বছর বয়সের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। আল-আমিন ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য প্রায়েই মুসলিমাকে মারধর করতেন। শুক্রবার আবারো মুসলিমাকে শারীরিক নির্যাতন করে রক্তাক্ত জখম করে আলামিনের পরিবারের লোকজন। এক পর্যায়ে মৃত্যু হলে তারা প্রচার করে মুসলিমা ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে। পরে এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে পাগলা থানা পুলিশ রাতেই তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে।

মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের নাকে, মাথায় ও বুকের ডান পাশে রক্তাক্ত জখম ছিল। এ ঘটনায় নিহতের মা রোকেয়া খাতুন শুক্রবার রাতে পাগলা থানায় মুসলিমার স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে আসামি করে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ শ্বাশুড়ি আনোয়ারা খাতুনকে গ্রেফতার করেন।

নিহতের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, অমানুষের বাচ্চা আল-আমিন তার মা-বাবারে লইয়া আমার মায়াডারে মাইরা ফালাইছে। আমি বিচার চাই।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।

Related Posts