রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, সকাল ৮:০৪
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২,সকাল ৮:০৪

চেতনানাশক মেশানো খাবার খেয়ে অজ্ঞান, গ্রিল কেটে লুটপাট

২১ জুন, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৬:৪২ pm

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে খাবারে চেতনানাশক ছিটিয়ে তিন সন্তানসহ এক প্রাথমিক শিক্ষিকাকে অচেতন করে জানালার গ্রীল কেটে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মালামাল লুটে নিয়েছে দূর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (২১ জুন) সকালে খোঁজ পেয়ে স্বজনরা প্রায় অচেতন অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মাহফুজা খাতুন ও গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গফরগাঁও পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের মাজার বাড়ি এলাকায় জনৈক আনোয়ার হোসেন কামরুলের ‘রিয়ান মঞ্জিল’ এর তৃতীয় তলার একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করেন ছিপান সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেতারা বেগম। সোমবার সন্ধ্যা রাতে অজ্ঞাত দৃর্বৃত্তরা পাশের বাসার ছাদ থেকে সেতারা বেগমের রান্নাঘরের খোলা জানালা দিয়ে খাবারে চেতনানাশক ছিটিয়ে দেয়। রাত ১১টার দিকে তিন সন্তানসহ শিক্ষিকা রাতের খাবার খান। অল্পক্ষণের মধ্যেই তিন সন্তান ঘুমিয়ে পরে। পরে তিনি গ্রীলযুক্ত জানালা খোলা রেখে দরজা বন্ধ করে বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করতে বসলেও অচেতন হয়ে পরেন। এ অবস্থায় আনুমানিক রাত ৩টার দিকে অজ্ঞাত দৃর্বৃত্তরা জানালার গ্রীল কেটে ঘরে প্রবেশ করে ষ্ট্রীলের আলমারি থেকে স্বর্নালংকার, নগদ টাকাসহ মালামাল লুটে নিয়ে যায়।

পরদিন মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে কাজের মহিলা খাদিজা দরজায় বেশ কিছুক্ষণ কড়া নাড়ার পর শিক্ষিকার বড় ছেলে তামিম (১৪) প্রায় অচেতন অবস্থায় ঢুলতে ঢুলতে দরজা খোলে দিয়ে আবার অচেতন হয়ে পরে। খাদিজা ঘরে ঢুকে অবস্থা বুঝতে পেরে প্রতিবেশী ও শিক্ষিকার স্বজনদের ফোন করে ডেকে আনেন। পরে স্বজনরা শিক্ষিকা সেতারা বেগম, তার ছেলে তামিম (১৪), আদিব (১২), আবিরকে (আড়াই বছর) অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

শিক্ষিকা সেতারা বেগমের বড় ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বোন তার তিন সন্তান নিয়ে এখানে বসবাস করেন। বোনজামাই ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি সাপ্তাহিক ছুটিতে আসা যাওয়া করেন। সকালে কাজের মহিলা ফোন করে আমাদের ডেকে আনেন।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) স্যারের সাথে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। ঘটনার তদন্ত ও অপরাধিদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।

Related Posts

চেতনানাশক মেশানো খাবার খেয়ে অজ্ঞান, গ্রিল কেটে লুটপাট

২১ জুন, ২০২২,

৬:৪২ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে খাবারে চেতনানাশক ছিটিয়ে তিন সন্তানসহ এক প্রাথমিক শিক্ষিকাকে অচেতন করে জানালার গ্রীল কেটে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মালামাল লুটে নিয়েছে দূর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (২১ জুন) সকালে খোঁজ পেয়ে স্বজনরা প্রায় অচেতন অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মাহফুজা খাতুন ও গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গফরগাঁও পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের মাজার বাড়ি এলাকায় জনৈক আনোয়ার হোসেন কামরুলের ‘রিয়ান মঞ্জিল’ এর তৃতীয় তলার একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করেন ছিপান সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেতারা বেগম। সোমবার সন্ধ্যা রাতে অজ্ঞাত দৃর্বৃত্তরা পাশের বাসার ছাদ থেকে সেতারা বেগমের রান্নাঘরের খোলা জানালা দিয়ে খাবারে চেতনানাশক ছিটিয়ে দেয়। রাত ১১টার দিকে তিন সন্তানসহ শিক্ষিকা রাতের খাবার খান। অল্পক্ষণের মধ্যেই তিন সন্তান ঘুমিয়ে পরে। পরে তিনি গ্রীলযুক্ত জানালা খোলা রেখে দরজা বন্ধ করে বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করতে বসলেও অচেতন হয়ে পরেন। এ অবস্থায় আনুমানিক রাত ৩টার দিকে অজ্ঞাত দৃর্বৃত্তরা জানালার গ্রীল কেটে ঘরে প্রবেশ করে ষ্ট্রীলের আলমারি থেকে স্বর্নালংকার, নগদ টাকাসহ মালামাল লুটে নিয়ে যায়।

পরদিন মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে কাজের মহিলা খাদিজা দরজায় বেশ কিছুক্ষণ কড়া নাড়ার পর শিক্ষিকার বড় ছেলে তামিম (১৪) প্রায় অচেতন অবস্থায় ঢুলতে ঢুলতে দরজা খোলে দিয়ে আবার অচেতন হয়ে পরে। খাদিজা ঘরে ঢুকে অবস্থা বুঝতে পেরে প্রতিবেশী ও শিক্ষিকার স্বজনদের ফোন করে ডেকে আনেন। পরে স্বজনরা শিক্ষিকা সেতারা বেগম, তার ছেলে তামিম (১৪), আদিব (১২), আবিরকে (আড়াই বছর) অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

শিক্ষিকা সেতারা বেগমের বড় ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বোন তার তিন সন্তান নিয়ে এখানে বসবাস করেন। বোনজামাই ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি সাপ্তাহিক ছুটিতে আসা যাওয়া করেন। সকালে কাজের মহিলা ফোন করে আমাদের ডেকে আনেন।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) স্যারের সাথে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। ঘটনার তদন্ত ও অপরাধিদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।

Related Posts