শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, রাত ৯:০৩
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,রাত ৯:০৩

পুকুরে ভাসছিলো নিখোঁজ ট্রাক মালিকের মরদেহ

২১ জুন, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৬:০৪ pm

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর : জেলার সদর উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার একটি পুকুর থেকে রেজাউল ইসলাম নামে এক ট্রাক মালিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় যশোর-খুলনা মহাসড়কের পদ্মবিলা এলাকার পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম জানান,ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ( তদন্ত) শেখ মনিরুজ্জান বলেন, পদ্মবিলা গ্রামের লোকজন পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। এরপর পুলিশ অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ডিবি পুলিশের টিম নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে তার পরিচয় শনাক্ত করে। রেজাউল ইসলাম বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকিরচর গ্রামের বাসিন্দা। পাঁচ বছর আগে তিনি বিদেশ থেকে ফিরে এসে ট্রাক কিনে ভাড়ায় পরিচালনার ব্যবসা শুরু করেন। তিনি সব সময় ট্রাকের চালক হৃদয় হোসেনে সাথে ট্রাকে থাকতেন।

ওসি জানান,রেজাউল ট্রাকের ড্রাইভারসহ কয়েকদিন আগে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাকের চালক কিংবা হেলপার পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রেজাউলকে হত্যা করে মরদেহ ওই পুকুরে ফেলে যায়। ট্রাক ও চালক-হেলপারের সন্ধান করতে পারলে হত্যার রহস্য জানা যাবে।

Related Posts

পুকুরে ভাসছিলো নিখোঁজ ট্রাক মালিকের মরদেহ

২১ জুন, ২০২২,

৬:০৪ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর : জেলার সদর উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার একটি পুকুর থেকে রেজাউল ইসলাম নামে এক ট্রাক মালিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় যশোর-খুলনা মহাসড়কের পদ্মবিলা এলাকার পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম জানান,ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ( তদন্ত) শেখ মনিরুজ্জান বলেন, পদ্মবিলা গ্রামের লোকজন পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। এরপর পুলিশ অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ডিবি পুলিশের টিম নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে তার পরিচয় শনাক্ত করে। রেজাউল ইসলাম বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকিরচর গ্রামের বাসিন্দা। পাঁচ বছর আগে তিনি বিদেশ থেকে ফিরে এসে ট্রাক কিনে ভাড়ায় পরিচালনার ব্যবসা শুরু করেন। তিনি সব সময় ট্রাকের চালক হৃদয় হোসেনে সাথে ট্রাকে থাকতেন।

ওসি জানান,রেজাউল ট্রাকের ড্রাইভারসহ কয়েকদিন আগে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাকের চালক কিংবা হেলপার পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রেজাউলকে হত্যা করে মরদেহ ওই পুকুরে ফেলে যায়। ট্রাক ও চালক-হেলপারের সন্ধান করতে পারলে হত্যার রহস্য জানা যাবে।

Related Posts