শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, রাত ১০:৪৪
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,রাত ১০:৪৪

ইউএনও ঠেকালেন বাল্যবিয়ে, কনের বাবার কারাদণ্ড

১৪ জুন, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৮:৪৮ pm

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট) : বাগেরহাটের শরণখোলায় বাল্যবিয়ে ভেঙে দিয়ে কনের বাবাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে দণ্ডিত আবুল বারিককে (৫০) জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

তিনি খুলনার কয়রা উপজেলার তেঁতুলতলা মহেশ্বরীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এর আগে সোমবার গভীর রাতে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে কনের নানা শাহ আলম মুন্সির বাড়িতে এই বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শরণখোলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামের মো. হারুন হাওলাদারের ছেলে বাদলের সঙ্গে কায়রার আবুল বারিকের মেয়ে তানিয়া আক্তারের (১৫) বিয়ে ঠিক হয়। সে অনুযায়ী মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর শাহ আলমের বাড়িতে আসেন আবুল বারিক। অনেকটার গোপনীতা রক্ষা করে গভীর রাতে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। কাজী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার আগমুহুর্তে খবর পেয়ে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। এ সময় বর বাদল হাওলাদার, বরের বাবা হারুন হাওলাদার এবং কাজী পালিয়ে যান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী জানান, আবুল বাকির তার মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়া আক্তারকে নিকট আত্মীয় হারুন হাওলাদারের ছেলের সঙ্গে বিয়ের দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এমন খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে পুলিশ নিয়ে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে কাজীসহ বর ও বরের বাবা পালিয়ে যান। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কনের বাবা আবুল বারিককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান তিনি।

Related Posts

ইউএনও ঠেকালেন বাল্যবিয়ে, কনের বাবার কারাদণ্ড

১৪ জুন, ২০২২,

৮:৪৮ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট) : বাগেরহাটের শরণখোলায় বাল্যবিয়ে ভেঙে দিয়ে কনের বাবাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে দণ্ডিত আবুল বারিককে (৫০) জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

তিনি খুলনার কয়রা উপজেলার তেঁতুলতলা মহেশ্বরীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এর আগে সোমবার গভীর রাতে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে কনের নানা শাহ আলম মুন্সির বাড়িতে এই বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শরণখোলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামের মো. হারুন হাওলাদারের ছেলে বাদলের সঙ্গে কায়রার আবুল বারিকের মেয়ে তানিয়া আক্তারের (১৫) বিয়ে ঠিক হয়। সে অনুযায়ী মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর শাহ আলমের বাড়িতে আসেন আবুল বারিক। অনেকটার গোপনীতা রক্ষা করে গভীর রাতে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। কাজী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার আগমুহুর্তে খবর পেয়ে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। এ সময় বর বাদল হাওলাদার, বরের বাবা হারুন হাওলাদার এবং কাজী পালিয়ে যান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. নূর-ই আলম সিদ্দিকী জানান, আবুল বাকির তার মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়া আক্তারকে নিকট আত্মীয় হারুন হাওলাদারের ছেলের সঙ্গে বিয়ের দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এমন খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে পুলিশ নিয়ে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে কাজীসহ বর ও বরের বাবা পালিয়ে যান। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কনের বাবা আবুল বারিককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান তিনি।

Related Posts