শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, রাত ৯:৫৮
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,রাত ৯:৫৮

সীতাকুণ্ডে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দাবিতে মানববন্ধন

৮ জুন, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৫:২৩ pm

স্টাফ রিপোর্টার : চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ, মজুতদার ও মুনাফাখোরদের আইনের আওতায় আনাসহ চার দফা দাবিতে যশোরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যুব মৈত্রী ও ছাত্র মৈত্রী জেলা শাখার উদ্যোগে আজ বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, অনুপ কুমার পিন্টু, আব্দুর রশিদ ডলার, জিয়াউর রহমান, ছাত্রমৈত্রীর জেলা কমিটির সাধারণ অরূপ মিত্র, মামুন হোসেন প্রমুখ।

যুব মৈত্রীর জেলা সভাপতি অনুপ কুমার পিন্টুর নেতৃত্বে সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী মানববন্ধনে অংশ নেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনা এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা। এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্প্রতিকালে প্রত্যেকটি দ্রব্যের মূল্য বেড়ে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। মজুতদার ও মুনাফাখোররা নিজেদের ইচ্ছামত দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে চলেছে। এ অবস্থায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মজুতদার ও মুনাফাখোরদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারিভাবে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা খুবই প্রয়োজন। ফলে দরিদ্র সীমার নিচে থাকা দেশের চার কোটি মানুষকে রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় আনা গেলে বাজার নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

Related Posts

সীতাকুণ্ডে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দাবিতে মানববন্ধন

৮ জুন, ২০২২,

৫:২৩ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

স্টাফ রিপোর্টার : চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ, মজুতদার ও মুনাফাখোরদের আইনের আওতায় আনাসহ চার দফা দাবিতে যশোরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যুব মৈত্রী ও ছাত্র মৈত্রী জেলা শাখার উদ্যোগে আজ বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, অনুপ কুমার পিন্টু, আব্দুর রশিদ ডলার, জিয়াউর রহমান, ছাত্রমৈত্রীর জেলা কমিটির সাধারণ অরূপ মিত্র, মামুন হোসেন প্রমুখ।

যুব মৈত্রীর জেলা সভাপতি অনুপ কুমার পিন্টুর নেতৃত্বে সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী মানববন্ধনে অংশ নেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনা এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা। এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্প্রতিকালে প্রত্যেকটি দ্রব্যের মূল্য বেড়ে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। মজুতদার ও মুনাফাখোররা নিজেদের ইচ্ছামত দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে চলেছে। এ অবস্থায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মজুতদার ও মুনাফাখোরদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারিভাবে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা খুবই প্রয়োজন। ফলে দরিদ্র সীমার নিচে থাকা দেশের চার কোটি মানুষকে রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় আনা গেলে বাজার নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

Related Posts