শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, রাত ৯:৩৭
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২,রাত ৯:৩৭

গফরগাঁওয়ে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা

৭ জুন, ২০২২,

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

৬:১৮ pm

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে সরকারি ধান ও চাল ক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধনের ২০দিন পার হলেও দুটি খাদ্য গোদামে মাত্র ১৮৭ মেট্টিক টন চাউল ক্রয় করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কোন ধান ক্রয় সম্ভব হয়নি। কর্তৃপক্ষের দাবি বাজার মূল্য বেশি থাকায় কৃষক ও মিল মালিকরা নির্ধারিত সরকারি মূল্যে ধান-চাল বিক্রয়ে আগ্রহী নয়। এ অবস্থায় উপজেলায় চলতি বছর সরকারি ধান-চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর সরকার এই উপজেলায় ২৭ টাকা কেজি বা ১০৮০ টাকা মন দরে ২৭৪৭ মেট্টিক টন ধান এবং ৪০ টাকা কেজি বা ১৬০০ টাকা মন দরে ৩৪৬৯ মেট্টিক টন চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এবার লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা না হলেও প্রতি ইউনিয়নে মাইকিং করে ‘আগে আসলে আগে বিক্রি’ ভিত্তিতে ধান ক্রয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গত ১৭ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবিদুর রহমান গয়েশপুর খাদ্য গোদাম ও ধলা খাদ্য গোদামে ধান-চাউল ক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। কিন্তু সমস্যা হলো গয়েশপুর ও ধলা দুটি সরকারি খাদ্য গোদাম উপজেলার দুই শেষ প্রান্তে। সরকারি মূল্যের চেয়ে ধানের বাজার মূল্য বেশী, ধানের মান নির্ণয় জটিলতা ও খাদ্য গোদামের দূরত্ব অনুযায়ী বেশি পরিবহন খরচ করে কৃষক ধান নিয়ে গেলে সেই ধান বিক্রির কোন নিশ্চয়তাও নেই। ফলে কৃষকরা সরকারি খাদ্য গোদামে ধান বিক্রয়ে আগ্রহী নয়।

অন্যদিকে, খোলা বাজারে চালের মূল্য বেশী থাকায় উপজেলার তালিকাভুক্ত ৩টি অটোরাইস মিল ও ২৬টি সেমি অটোরাইস মিল মালিক কর্তৃপক্ষ সরকারি মূল্যে চাল বিক্রয় করছেন না। ফলে চলতি বছর উপজেলায় সরকারের ধান-চাল ক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনা কম।

গফরগাঁও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, খোলা বাজারে দাম বেশী থাকায় কৃষক ও মিল মালিকরা সরকারি মূল্যে খাদ্য গোদামে ধান-চাল বিক্রয় করতে আগ্রহী নন। তবে সরকারের কাছে চাল বিক্রয় না করে গোদামে মজুদ করে রাখলে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল জরিমানা করা হতে পারে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সরকারের প্রয়োজনের সময় চাল বিক্রয় করবে না এটা হতে পারেনা।

Related Posts

গফরগাঁওয়ে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা

৭ জুন, ২০২২,

৬:১৮ pm

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে সরকারি ধান ও চাল ক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধনের ২০দিন পার হলেও দুটি খাদ্য গোদামে মাত্র ১৮৭ মেট্টিক টন চাউল ক্রয় করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কোন ধান ক্রয় সম্ভব হয়নি। কর্তৃপক্ষের দাবি বাজার মূল্য বেশি থাকায় কৃষক ও মিল মালিকরা নির্ধারিত সরকারি মূল্যে ধান-চাল বিক্রয়ে আগ্রহী নয়। এ অবস্থায় উপজেলায় চলতি বছর সরকারি ধান-চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর সরকার এই উপজেলায় ২৭ টাকা কেজি বা ১০৮০ টাকা মন দরে ২৭৪৭ মেট্টিক টন ধান এবং ৪০ টাকা কেজি বা ১৬০০ টাকা মন দরে ৩৪৬৯ মেট্টিক টন চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এবার লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা না হলেও প্রতি ইউনিয়নে মাইকিং করে ‘আগে আসলে আগে বিক্রি’ ভিত্তিতে ধান ক্রয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গত ১৭ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবিদুর রহমান গয়েশপুর খাদ্য গোদাম ও ধলা খাদ্য গোদামে ধান-চাউল ক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। কিন্তু সমস্যা হলো গয়েশপুর ও ধলা দুটি সরকারি খাদ্য গোদাম উপজেলার দুই শেষ প্রান্তে। সরকারি মূল্যের চেয়ে ধানের বাজার মূল্য বেশী, ধানের মান নির্ণয় জটিলতা ও খাদ্য গোদামের দূরত্ব অনুযায়ী বেশি পরিবহন খরচ করে কৃষক ধান নিয়ে গেলে সেই ধান বিক্রির কোন নিশ্চয়তাও নেই। ফলে কৃষকরা সরকারি খাদ্য গোদামে ধান বিক্রয়ে আগ্রহী নয়।

অন্যদিকে, খোলা বাজারে চালের মূল্য বেশী থাকায় উপজেলার তালিকাভুক্ত ৩টি অটোরাইস মিল ও ২৬টি সেমি অটোরাইস মিল মালিক কর্তৃপক্ষ সরকারি মূল্যে চাল বিক্রয় করছেন না। ফলে চলতি বছর উপজেলায় সরকারের ধান-চাল ক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনা কম।

গফরগাঁও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, খোলা বাজারে দাম বেশী থাকায় কৃষক ও মিল মালিকরা সরকারি মূল্যে খাদ্য গোদামে ধান-চাল বিক্রয় করতে আগ্রহী নন। তবে সরকারের কাছে চাল বিক্রয় না করে গোদামে মজুদ করে রাখলে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল জরিমানা করা হতে পারে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সরকারের প্রয়োজনের সময় চাল বিক্রয় করবে না এটা হতে পারেনা।

Related Posts